রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ ০৫:৩৪:০৫ এএম

‘আমার মৃত্যুতে যদি ওদের ফেরানো যেতো’

জাতীয় | শুক্রবার, ১৬ মার্চ ২০১৮ | ০৯:১১:৫৮ পিএম

‘বারবার ছোট্ট নাতনি, মেয়ে ও জামাতার মুখগুলো ভেসে উঠছে। মনে হচ্ছে আমার মৃত্যুতে যদি ওদের ফেরানো যেত! নাতনি ও জামাইকে হারাব কল্পনাও করতে পারিনি। আল্লাহর অসীম কৃপায় বেঁচে যাওয়া আমার এ্যানি এখনো জানে না ওর মেয়ে ও স্বামী বেঁচে নেই! কী জবাব দেব ওকে ভেবে পাচ্ছি না।’

শুক্রবার (১৭ মার্চ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেপালের কাঠমান্ডুতে বিমান দুর্ঘটনায় আহত এ্যানির বাবা সালাউদ্দিন খসরু আহাজারি করে কথাগুলো বলছিলেন আর কাঁদছিলেন।

গত ১২ মার্চ (সোমবার) নেপালে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনার শিকার হন গাজীপুর টঙ্গি এলাকার একই পরিবারের সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, স্বামী মেহেদি হাসান, মেহেদির ফুফাতো ভাই ফারুক হোসেন প্রিয়ক, তার স্ত্রী আলমুন্নাহার এ্যানি ও তাদের একমাত্র মেয়ে তামারা প্রিয়ন্ময়ী। বিধ্বস্তের ঘটনায় ফারুক হোসেন প্রিয়ক ও তার কন্যা তামারা প্রিয়ন্ময়ী মারা যায়।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বিজি-০০৭২ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ওই ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন স্বর্ণা, মেহেদি ও এ্যানি। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

গত সোমবার (১২ মার্চ) ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস-২১১ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। ৬৭ যাত্রী ও চার ক্রুসহ দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বিমানটি বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয়। এতে ৫১ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে। বাকিদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন