শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৮ ০২:৫৮:৫০ এএম

লঙ্কান দর্শকরা আমাদের শত্রু বানিয়ে ছেড়েছে, দেশে ফিরে খালেদ মাহমুদ

খেলাধুলা | সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮ | ০৮:৫৬:৩৫ পিএম

নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ-ভারত, আর স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা সেখানে দর্শক। কিন্তু কাল ম্যাচ দেখে মনে হয়েছে, ভারত যেন নিজেদের মাঠে খেলছে। সেটা যতটা না ভারত সমর্থনের জন্য, তার চেয়েও অনেক বেশি যে বাংলাদেশের বৈরিতার কারণে, সেটা বলে না দিলেও চলে। প্রেমাদাসা যেন কাল এক টুকরো ওয়াংখেড়ে বা ইডেন। খালেদ মাহমুদ সুজনও শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে এমন বিরুদ্ধাচরণ দেখে খানিকটা হতাশ।

নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল শেষে আজ দেশে ফিরে সুজন কথা বললেন এসব নিয়ে, ‘শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলা আরও বেশি চাপ ছিলো মনে হয়। সেটা খুবই স্বাভাবিক ছিল কারণ স্বাগতিক দেশের সঙ্গে খেলা। দর্শক তো আমাদের বিপক্ষে থাকবে এটা খুবই স্বাভাবিক। কালকে স্বাগতিক দেশ ছিল না, কিন্তু আমাদের বিপক্ষে সমর্থন এতো বেশি ছিল যে বাংলাদেশের হয়ে পুরো হতাশই আমি। যদিও আমাদের বাংলাদেশি সমর্থকও ছিল, বেশ কিছু। সবার মাঝে তাদের আওয়াজটা খুবই কম হয়েছে। তবে এটা খেলারই অংশ। হয়তো আমরা শ্রীলঙ্কার শত্রু ছিলাম, আমাদের কারণে তারা ফাইনালে উঠতে পারেনি। আক্রোশ থেকে বাংলাদেশের বিপক্ষে সমর্থন দিয়েছে তাদের সবাই।’

প্রশ্ন উঠেছে আরো অনেক কিছু নিয়েই। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে সাকিব আল হাসানের অমনভাবে আগ্রাসী আচরণ করা উচিত হয়েছে কি না সেটা নিয়েও কথা বললেন খালেদ মাহমুদ, ‘না, আমি একদমই বলবো না যে প্রতিবাদ করাটা ওইভাবে ঠিক ছিল। কারণ দিন শেষে এটা খেলা। ক্রিকেট খেলা। সাকিব যেটা করেছে পুরো আবেগী হয়ে করেছে হয়তো। আর আমরা নিজেরাও দেখছিলাম নো-বল ডাকা হয়েছে তারপরও নো-বল কেন দেওয়া হবে না। আম্পায়াররাও জানেন। আম্পায়াররা যে ভুল করেছে সেটা আপনারাও জানেন। হয়তোবা একটু বেশি প্রতিবাদের ভাষা হয়ে গেছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘যেহেতু টিভি ক্যামেরায় এটা আন্তর্জাতিক ম্যাচ। তবে আমি মনে করি এক দিক থেকে সাকিবের এগ্রেসিভ হওয়া দরকার ছিল, কারণ অনেক টুর্নামেন্টেই এমন হয়েছে। বিশ্বকাপে মেলবোর্নে আপনি যদি দেখেন ওইখানেও আমাদের বেশ কিছু সমস্যা হয়েছিল। আম্পায়ারের এমন কিছু সিদ্ধান্তে আমাদের এমন হতে হয়েছে। তো তারপরও পরিস্থিতি ঠিক হয়েছে আমরা খেলেছি, খেলে দারুণ জবাব দিয়েছি মাঠে। সেটাই বড় ব্যাপার ছিল আমাদের জন্য।’

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন