রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ ০৫:৩৩:৫১ এএম

ছেলেরা আমাদের চেয়েও বেশি কষ্ট পেয়েছে: পাপন

খেলাধুলা | মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮ | ০৫:০৬:৫৬ পিএম

রুবেলের আন্তর্জাতিক অভিষেক যখন হয় তখন বাংলাদেশ দলে খুব কম বোলারই এতটা জোরে বল করতে পারত। পেসার হান্টের মাধ্যমে উঠে আসে এই পেসার। এরপর বাংলাদেশ দলের এক ভরসার নাম হয়ে গেছেন।
স্লিঙ্গি একশনের কারণে অনেকে তুলনা করা শুরু করেন তখন তুমুল ফর্মে থাকা লাসিথ মালিঙ্গার সাথেও।

মালিঙ্গার বোলিং অ্যাকশন এখনও ঠিক আগের মতো। তবে পরিবর্তন হয়েছে রুবেলের। বোলিংয়ে আড়াআড়ি স্লিঙ্গি অ্যাকশনটা অনেকটাই কমিয়েছেন বাংলাদেশের পেসার। বোলিং অ্যাকশনে মালিঙ্গার পিছুটান ছুটালেও শ্রীলঙ্কায় নতুনভাবে মালিঙ্গার পাশে নাম তুলেছেন রুবেল! সেটা আবার মনে করিয়ে দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম।

২০১২ টি-টোয়েন্টি ফাইনালে ঘরের মাঠে এক ওভার বাজে বল করেছিলেন মালিঙ্গা। তাতেই শিরোপা হারায় শ্রীলঙ্কা। হাত থেকে ফসকে যাওয়া ম্যাচ বের করে এনেছিলেন মারলন স্যামুয়েলস। মালিঙ্গার করা ইনিংসের ১৭তম ওভার থেকে তুলেছিলেন ১৯ রানে। তাতেই মহাগুরুত্বপূর্ণ রান পায় উইন্ডিজ।

নিদাহাস কাপের ফাইনালে ১৯তম ওভার থেকে রুবেল ২২ রান দিয়ে ভারতের জয়ের পথ মসৃন করেছেন। মালিঙ্গার মতো রুবেলও বল হাতে কাটিয়েছেন বাজে একটি দিন। ঠিক এমন একটি দিন যেকোনো ক্রিকেটারের আসতে পারে। তাইতো মুশফিক পাশে দাঁড়িয়েছেন রুবেলের।

‘আমি মনে করি না, এটা শুধু একজনের জন্যই হয়েছে। আমরা বোলাররা মিলে যদি ১ কিংবা ২ রান কম দিতে পারতাম কিংবা আমরা ব্যাটসম্যানরা যদি আরও ১০ রান বেশি করতে পারতাম। এটা দলীয় ম্যাচ। একজনের ব্যর্থতা মানে সবারই ব্যর্থতা।’

‘মুস্তাফিজ এক ওভার মেডেন উইকেট নিবে, এটা কেউই বিশ্বাস করেনি। ঠিক সেইরকমই রুবেলের ওভারটাতে এতো রান হবে এটা বিশ্বাস হয়নি। ক্রিকেট খেলায় এটা হয়েই যায়। এর থেকে আমাদের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।’

‘বড় বড় বোলারাও এমন পরিস্থিতিতে নার্ভটা ধরে রাখতে পারেন না। এই মাঠেই কিন্তু মালিঙ্গাকে এক ওভারে স্যামুয়েলস মেরে ম্যাচ জিতে নিয়েছিল। আমি মনে করি এটা শিক্ষনীয় বিষয়।

এই ম্যাচ থেকে আমাদের শিক্ষা ছাড়া অন্য কিছু নেওয়ার নেই। আমরা চেষ্টা করবো, পর্ববর্তী সময়ে এবারের শিক্ষাটা কাজে লাগাবে। সৌম্যর জন্য এটা প্রথমবার। পরে আবার যখন সুযোগ আসবে, আশা করি তখন এর চেয়ে আরও ভালো করবে।’– বলেছেন মুশফিক।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন