রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ ১০:২৬:৫২ পিএম

সব দোকানেই ছোট বিন বাধ্যতামূলক

নগর জীবন | শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮ | ০৭:৩৯:০২ পিএম

রাজধানীকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে নতুন এক উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। যেকোন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে ছোট বিন রাখা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে নগরবাসীকে সেবাদানকারী এই সংস্থা দুটির পক্ষ থেকে।

অসহনীয় যানজট, জনতার ভিড়, আবাসন সমস্যা, যত্রতত্র ডাস্টবিন, ধূলিময় রাস্তঘাট, যানবাহনের ধোঁয়া এ সবকিছু নিয়েই মেগাসিটি ঢাকা। যার জনসংখ্যা দুই কোটি ছুঁই ছুঁই। হাজারো সমস্যার মধ্যে অন্যতম একটি সমস্যা ময়লা আবর্জনা।

রাজধানীর এসব ময়লা আবর্জনার দূরীকরণে ঢাকা দুই সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিলেও সাধারন মানুষের অসচেতনতার কারনে কার্যকর ফলাফল পাওয়া যায়নি। এমন সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার লক্ষ্যেই এই নতুন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী নতুন সময়কে বলেন, নাগরিকদের নৈতিক দায়িত্ব শহরটাকে পরিচ্ছন্ন রাখা। সেই সঙ্গে রাস্তা-ঘাট সহ আশেপাশের এলাকা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে দোকন-প্রতিষ্ঠানের সামনে ছোট বিন রাখা প্রয়োজন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নতুন কিংবা পুরাতন ট্রেড লাইসেন্স নেয়া কিংবা নবায়নের বিষয় নয়। ছোটবিন সবারই রাখতে হবে। এতে করে দোকানের ময়লাগুলো আর রাস্তায় যাবে না। কিছুটা হলেও শহর পরিচ্ছন্ন থাকবে।
ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, ময়লা আবর্জনা দূরীকরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যবসীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ট্রেড লাইসেন্স নিতে প্রতিষ্ঠানে ময়লার ঝুড়ি-ছোট ডাস্টবিন রাখা বাধ্যতামূলক হচ্ছে। ডিএসসিসির প্রত্যেকটি কাজে জনগণের সম্পৃক্ততা যাতে বাড়ে সেকারণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রবীন্দ্র শ্রী বড়ুয়া বলেন,আমাদের ডিএনসিসি থেকে ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার আগেই ফর্মে উল্লেখ থাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নের শর্তটি। যে কারনে আমারা খোঁজ খবর রাখবো প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া পরিচ্ছন্ন রাখার শর্ত তারা পালন করছে কী না। আর তা না করলে আমারা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে ঝুড়ি-ছোট ডাস্টবিন রাখা বাধ্যতামূলক করেছে কিন্তু ডিএনসিসি এ বিষয়ে এমন কোন সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, নাগরিক সচেতনতা ছাড়া নগর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। বিন রাখা বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি তা ইতিবাচকই দেখছেন। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিও বিষয়েও জোর দেন তারা।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন