সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮ ০৬:১৬:০৭ এএম

ঢাবি উপাচার্যকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন

জাতীয় | সোমবার, ৯ এপ্রিল ২০১৮ | ০১:০৭:২৭ পিএম

তছনছ ও ব্যাপকভাবে আসবাব ভাঙচুর করে। পরে উপাচার্যকে প্রধানমন্ত্রী ফোন দিয়ে খোঁজ নিয়েছেন বলে জানা যায়।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী পুলিশ ও উপাচার্যের বাসভবনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বললে তারা সবাই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী উপাচার্যকে ফোন দিয়ে সান্ত্বনা দেন। এ সময় উপাচার্য তার বাড়ি ভাঙার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে উপাচার্যের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা এই প্রথম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসভবনের শোবারঘর থেকে বাথরুম, রান্নাঘরসহ সবখানে ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় বাসভবনের সামনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে থাকা একটি গাড়িও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ নীলক্ষেতের দিক দিয়ে ক্যাম্পাসের ভেতর প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। সে সময় কলাভবন ও মল চত্বর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

তবে এ ঘটনায় ভিসি পরিবারের কেউ আহত হননি। ভিসি ভেতরে থাকলেও একটি কক্ষে নিরাপদে ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১টার দিকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। তারা ক্যাম্পাসে অবস্থান নিলে সেখানেও পুলিশ ও ছাত্রলীগ মিলে হামলা করে। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসেন।

একপর্যায়ে উপাচার্যের বাসভবনের দেয়াল টপকে কিছু শিক্ষার্থী ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন কক্ষের আলমিরা, টেলিফোন, টেলিভিশন ভাঙচুর করে। এ সময় বিভিন্ন আসবাব বাইরে বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘অশুভ উদ্দেশ্যে ভিসির বাংলোয় হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়েছে। আমরা ঘটনা তদন্ত করছি। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমার বাড়ি ভাঙতে পারে না। যারা ভেঙেছে তারা সবাই বহিরাগত। এদের ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন