রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ ০৪:৫১:০৭ এএম

কোটা থাকবে, তবে সংস্কার হওয়া উচিত : অর্থমন্ত্রী

জাতীয় | মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল ২০১৮ | ০৭:১০:৩৮ পিএম

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, কোটা থাকতেই হবে। তবে কত শতাংশ থাকবে, সেটা আলোচনার বিয়ষ। এখন কোটার শতাংশ অনেক বেশি। এটা সংস্কার হওয়া উচিত।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এ দেশ স্বাধীন হয়েছে বৈষম্য দূর করে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য। এক অঞ্চল এগিয়ে যাবে, আরেক অঞ্চল পিছিয়ে পড়বে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। কোটা থাকতেই হবে, তবে কত শতাংশ থাকবে সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, কোটা থাকার কারণ হচ্ছে- যারা পশ্চাৎপদ তাদেরকে টেনে তুলতে হবে। বাংলাদেশ এটা নিয়ে আজীবন ধরে যুদ্ধ করেছে যে, আমরা পশ্চাৎপদ ছিলাম, আমরা কোনো সুযোগ-সুবিধা পাইনি। তাই পশ্চাৎপদকে টেনে তুলতে কিছু সুযোগ-সুযোগ দিতেই হবে। তবে এখন যেটা হয়েছে, সেটা বোধ হয় একটু বেশিই হয়ে গেছে। এটা সংস্কার করা উচিত। এ বিষয়ে এক মন্ত্রী আমাকে বলেছে যে, সংস্কারের চিন্তা-ভাবনা হচ্ছে। এটা আমার মন্ত্রণালয়ের বিষয় নয়। বাট আমাদের কন্ট্রিবিউশন যেটুকু দরকার সেটুকু দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, কোটা থাকবে, তবে এমন কিছু করা উচিত নয় যে সাধারণরা কিছুই পাবে না। এখন যেমন মুক্তিযোদ্ধা নামে একটা বড় কোটা আছে। বড় সংখ্যা মুক্তিযোদ্ধা কোটা রয়েছে, তবে এ ক্ষেত্রে লোক পাওয়া যায় না। তাই তাদের এ কোটা পুরণ হয় না, সেখানে অন্যদের নেওয়া যাবে।

কোটার এক তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির পদের জন্য টোটাল মেধা কোটা হচ্ছে ৪৫ শতাংশ। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, মহিলা কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। অবশিষ্ট (জেলার সাধারণ প্রার্থীদের) জন্য মাত্র ১০ শতাংশ। এ কোটা ব্যবস্থাটা ঠিক নয়। এটা সংস্কার করতে হবে। আমিও সেই উপদেশ প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েছি যে, আমার মন্ত্রণালয়ে আমরা সেটা রি-এক্সামিন করব আগামী বাজেটের পর।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন