বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৮:৩৪:৫৯ এএম

দুই প্রার্থীর হলফনামায় আয় ও সম্পদ

জেলার খবর | খুলনা | শুক্রবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৮ | ১০:১৮:০৬ পিএম

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের বার্ষিক আয় ৪১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৫৫ টাকা।

অপরদিকে, বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু’র বার্ষিক আয় ২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।

নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিলকৃত হলফনামায় দুই প্রার্থী নিজের এবং পরিবারের অর্থ-সম্পদের বিবরণ দাখিল করেছেন।

হলফনামায় খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেকের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৪১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৫৫ টাকা। অবশ্য, ২০১৩ সালের হলফনামায় তার আয় দেখানো হয় ৪ কোটি ৬২ লাখ ৫৫ হাজার ৬০০ টাকা। ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় তার বার্ষিক আয় ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। নতুন হলফনামা অনুযায়ী খালেকের বার্ষিক আয় কৃষিখাত থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, মৎস্য ঘের থেকে ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৩০০ টাকা, ব্যাংক সুদ থেকে ৮ লাখ ৫১ হাজার ৫৮০ টাকা, সংসদ সদস্য হিসেবে পারিতোষিক ও প্রাপ্ত ভাতা থেকে বার্ষিক ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬৭৫ টাকা।

হলফনামায় আব্দুল খালেক নিজের চেয়ে স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য সাবেকুন্নাহারের নামে নগদ অর্থ ২১ গুণ বেশি রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী সাবেক মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের নগদ অর্থ রয়েছে ৯ লাখ ৭৮ হাজার ৭৫০ টাকা। আর স্ত্রীর নামে নগদ অর্থ দেখানো হয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৭৯৪ টাকা। এখন কোনো মামলায় অভিযুক্ত না হলেও নয়টি মামলা ছিল তার বিরুদ্ধে, এরই মধ্যে সব মামলায় অব্যাহতি ও খালাস পেয়েছেন তিনি।

বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। আর তার ওপর নির্ভরশীলদের বার্ষিক আয় ২ লাখ ৮২ হাজার টাকা। এর আগে ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, আর ব্যয় ছিল ১ লাখ টাকা। ওই নির্বাচনের সময় তার আয়ের উৎস ছিল ব্যবসা। এবারও হলফনামায় পেশা ব্যবসা দেখানো হলেও বর্তমানে ব্যবসা বন্ধ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন তার আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে বাড়িভাড়া। নিজের চেয়ে স্ত্রী অ্যাডভোকেট সৈয়দা সাবিহার নামে ১৯ গুণ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা (ডলার) রয়েছে।

মঞ্জুর শিক্ষাগত যোগ্যতা আইনে স্নাতক পাস। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে চারটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। খুলনা থানায় তার বিরুদ্ধে দায়ের করা আগের তিনটি মামলার একটিতে অব্যাহতি পেয়েছেন। আর দুটি মামলায় ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে বলেও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন