বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১০:৪৬:৫৩ এএম

তিন দেশকে ভয়ানক পরিণতির হুমকি রাশিয়ার

আন্তর্জাতিক | শনিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৮ | ১০:৫৮:৩৪ পিএম

সিরিয়ায় বিমান হামলা চালানোর ফল ভুগতে হবে আমেরিকাকে। পারদ চড়িয়ে, শনিবার এমনটাই হুমকি দিল রাশিয়া। আসাদ বাহিনীর উপর মার্কিন হামলার তীব্র নিন্দা করে একটি ফেসবুক পোস্ট করেন রুশ বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া ঝাখারোভা। এছাড়াও ট্রাম্প প্রশাসনকে পরিণামের হুমকি দিয়েছেন আমেরিকায় নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত এনাতলি আন্তনোভ।

আসাদ বাহিনীর উপর হামলা চালিয়ে সিরিয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এবার পালটা দাপট দেখাতে বাধ্য হয়ে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেই দাবি অনেকের। তারই প্রতিফলন ঘটছে রুশ কূটনীতিবিদদের বয়ানে। এদিন রুশ রাষ্ট্রদূত এনাতলি আন্তনোভ বলেন, “হামলার প্রতিক্রিয়ার জন্য তৈরি থাকুক আমেরিকা। এই আগ্রাসনের পরিণামের দায় সম্পূর্ণভাবে নিতে হবে ওয়াশিংটন, প্যারিস ও লন্ডনকে”। রুশ বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া ঝাখারোভার মার্কিন ও ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমগুলিকে একহাত নিয়েছেন। তিনি বলেন, “মিডিয়া রিপোর্ট দেখেই হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। তাহলে এবার সিরিয়ায় যা হচ্ছে তার দায়িত্ব নিক সংবাদমাধ্যম। ইরাকের মতোই অজুহাত দেখিয়ে এই হামলা চালিয়েছে আমেরিকা।”

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট আসাদ ও বিদ্রোহীরা পুতুল মাত্র। আদতে লড়াই চলছে রাশিয়া ও আমেরিকার। ওই অঞ্চলে দাপট বজায় রাখতে মরিয়া ট্রাম্প ও পুতিন দু’জনেই। দৌমায় সারিন হামলার পালটা মার দেবে ওয়াশিংটন, এমনটা জানত মস্কো। ট্রাম্পের হুমকির পরই সিরিয়ার তারতাস নৌঘাঁটি থেকে উধাও হয়েছে ১১টি রুশ যুদ্ধজাহাজ। মাত্র একটি কিলো ক্লাস সাবমেরিন রয়েছে বন্দরে। সেটির সুরক্ষায় মোতায়েন রয়েছে অত্যাধুনিক ‘এস-৪০০’ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। স্যাটেলাইটের ছবিতে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে মার্কিন হামলার পালটা জবাব দিতে গোপনে সাগরে পাড়ি দিয়েছে রুশ রণতরীগুলি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সিরিয়ায় আসাদের ঘাঁটিতে আক্রমণের নির্দেশ দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের নির্দেশ পেতেই ঝাঁকে ঝাঁকে মার্কিন যুদ্ধবিমান উড়ে গেল সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদের মূল সেনাঘাঁটির দিকে। হামলার উদ্দেশ্য, আসাদের রাসায়নিক অস্ত্রাগারগুলি ধ্বংস করে দেওয়া। পালটা আমেরিকাকে জবাব দিচ্ছে রুশ সাহায্যপ্রাপ্ত সিরিয়ার এলিট মিলিটারি ফোর্স রিপাবলিকান গার্ডের ফোর্থ ডিভিশন।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন