শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৫:৩৮:৫৪ পিএম

আর্জেন্টিনায় আত্বীয়তা পেতেছেন রোনালদো!

খেলাধুলা | বুধবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৮ | ১০:৫২:১৩ পিএম

একদিকে চির প্রতিদ্বন্দী লিওনেল মেসি। অন্যদিকে বান্ধবী জিওর্জিনা রদ্রিগেজ। কাকে ছাড়বেন, কাকে রাখবেন? ঘটনাচক্রে এখন তো খোদ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে আর্জেন্টিনার সমর্থকই বনে যেতে হচ্ছে। অন্তত প্রতিদ্বন্দী মেসির জন্য না হোক বান্ধবী রদ্রিগেজের জন্য।

একের পর এক বান্ধবী বদল করা যেন রোনালদোর কাছে হাতের মোয়া। তার জীবনে কত নারী এসেছে, সে হিসেব সম্ভবত রোনালদো নিজেও রাখেননি। তবে, ৩৩ বছর বয়সে এসে সম্ভবত এক জায়গায় থিতু হতে পারছেন তিনি। শুধু তাই নয়, এখনও পর্যন্ত রোনালদোর যে চারটি সন্তান হয়েছে, তার মধ্যে একমাত্র জিওর্জিনা রদ্রিগেজই সরাসরি তার সন্তানের মা হয়েছেন। বাকি তিনজনই হয়েছে সারোগেট পদ্ধতিতে।

তো, সেই জিওর্জিনা রদ্রিগেজ এবং সন্তানদের সঙ্গে একান্ত পারিবারিক সময় কাটানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ছেড়েছেন রোনালদো। সেখানকার কথোপকথন শুনেই চমকে ওঠার জোগাড় রোনালদো ভক্তদের।

যে আর্জেন্টিনা এবং আর্জেন্টাইন লিওনেল মেসি রোনালদোর চিরশত্রু, সেই আর্জেন্টিনাতেই আত্বীয়তা পেতে বসেছেন তিনি! শুধু তাই নয়, রোনালদো জানিয়েও দিলেন, আর্জেন্টিনার জন্য তার হৃদয়ে ভালোবাসা রয়েছে।

তবে, এটা ঠিক এই ভালবাসা অবশ্যই ফুটবল সম্পর্কিত নয়, তার জীবন সম্পর্কিত। সেই ভিডিওতে একটি প্রশ্নের জবাবে রোনালদোর বান্ধবী জিওর্জিনা রদ্রিগেজ তার জাতীয়তা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা দিয়ে রাখলেন সবাইকে।

রদ্রিগেজ বলেন, ‘আমার বাবা ছিলেন আর্জেন্টাইন এবং আমার মা মুরিসিয়ার (স্পেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় একটি শহর) বাসিন্দা। তারা বুয়েন্স আয়ার্সেই থাকতো। এমনকি আমার বোন ইভানাও (তবে তারও জন্ম, স্পেনের জিরোনা শহরে) থাকতো সেখানে। এ কারণে আমার বোন, বাবার পরিবারকে ভালোভাবে চেনে এবং জানে।’

জিওর্জিনা রদ্রিগেজের জন্মই হয়েছে বুয়েন্স আয়ার্সে। যদিও তার এক বছর বয়সের সময়ই পুরো পরিবার আবার চলে আসে মুরিসিয়ায়। তিনি জানান, তার বাবা চেষ্টা করেছিলেন তার মাকে রাজি করাতে যে, তারা যেন একসঙ্গে বুয়েন্স আয়ার্সে থাকেন; কিন্তু তার বাবা তাতে সফল হননি। মুরিসিয়ায় ফিরে আসার পর আর আর্জেন্টিনা যাওয়া হয়নি জিওর্জিনা রদ্রিগেজদের।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন