বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৫:১৬:৫৪ এএম

‘পুষ্টির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দরকার সমন্বিত কার্যক্রম’

জাতীয় | সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮ | ১০:৩০:০৮ এএম

সোমবার শুরু হয়েছে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০১৮। এ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্টিক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সামাজিক কুসংস্কার, অজ্ঞতা ও অসচেতনতা আমাদের দেশে পুষ্টিক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের একটি বড় বাধা। এই বাধা অতিক্রম করার জন্য পরিকল্পিত, সমন্বিত ও সুসংহত কার্যক্রমের বিকল্প নেই।’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী প্রতি বছরের মতো এবারও ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ’ (২৩-২৯ এপ্রিল) পালন করা হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

এছাড়া তিনি দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘খাদ্যের কথা ভাবলে পুষ্টির কথাও ভাবতে হবে’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলেও বাণীতে উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুষ্টিকর খাবার গ্রহণকে মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে সংবিধানে স্বীকৃতি প্রদান করেন। প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে তিনি (বঙ্গবন্ধু) ১৯৭৪ সালে ‘জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৭৫ সালের ২৩ এপ্রিল ‘বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদ’ গঠনের আদেশে স্বাক্ষর করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে ‘আমরা স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টিজ্ঞান জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। আমরা জাতীয় পুষ্টি নীতি-২০১৫ প্রণয়ন এবং জাতীয় পুষ্টি পরিষদ পুনরুজ্জীবিত করেছি।’ এই পরিষদের নেতৃত্বে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে দ্বিতীয় জাতীয় পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা (২০১৬-২০২৫) প্রণীত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের মর্যাদা অর্জন করেছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে। আর এজন্য প্রয়োজন সাধারণ জনগণের পুষ্টি উন্নয়ন নিশ্চিত করা। কেননা পুষ্টি উন্নয়নের বুনিয়াদ। আমরা সবাই জানি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে শরীরে নানাধরণের জীবাণু সংক্রমিত হয়। ফলে মানুষ বিভিন্ন রকম অসুখে ভোগে এবং কর্মক্ষমতা লোপ পায়।’

বাণীতে তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহে গৃহীত কার্যক্রমগুলো বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করবে। খাদ্যের মান ও পুষ্টি সম্পর্কে জনগণের জানার আগ্রহ বাড়বে, যা তাদের পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করবে এবং একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে উঠবে।

তিনি ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০১৮’র সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন