বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ ০২:০৬:৫১ এএম

শিক্ষক নিয়োগ আবারও পরিচালনা কমিটির হাতে দেয়ার সুপারিশ

শিক্ষাঙ্গন | সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮ | ০৮:০১:১৩ পিএম

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ফের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির হাতে দেয়ার সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। বৈঠকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগে নতুন পদ্ধতি বাতিল করে আগের পদ্ধতি পুনর্বহালের পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন কমিটির সদস্যরা। নতুন পদ্ধতিতে দলীয় অথবা পছন্দের লোকদের নিয়োগ দেয়া যাচ্ছে না বলেও মত প্রকাশ করেছেন অনেকে।

গতকাল রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংসদীয় কমিটির সদস্যদের মতে, নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের হাতে নিয়োগের ক্ষমতা দেয়ার অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। দুই বছর ধরে নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। আবার দলীয় লোকদের নিয়োগ দেয়া যাচ্ছে না। সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এনসিআরটিএ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেভাবে নিয়োগ দিচ্ছে তাতে বেশ কিছু সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এক একজন ব্যক্তিদের অনেক দূর-দূরান্তে নিয়োগ দেয়া হয়। প্রকৃত মেধার যাচাই হয় না। এ জন্য আমরা নিবন্ধন পরীক্ষার উত্তীর্ণদের প্রতিষ্ঠানের আগের নিয়মে পরিচালনা কমিটি/গভনিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ দিতে বলেছি।

সংসদীয় কমিটির বৈঠক নিয়ে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র ফাঁস ও নকল বন্ধ, পরীক্ষা পদ্ধতি ও পরীক্ষা কেন্দ্র কমানো বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও জেলা শহরে অনেক অননুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে সেগুলোর বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসককে একটি নীতিমালার আওতায় আনার বিষয়ে কমিটি সুপারিশ করে।

সরকারি কর্ম কমিশনের দক্ষতা ও মনোন্নয়নের বিষয়ে সম্পর্কিত প্রতিবেদন কমিটির পরবর্তী বৈঠকে প্রদানের বিষয়ে সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি এইচএন আশিকুর সহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, খোরশেদ আরা হক, জয়া সেন গুপ্তা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সাল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। নিয়োগে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠায় তা বাতিল করে এনটিআরসিএ’র কাছে দেয়া হয়। গত দুই বছর থেকে বেসরকরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বন্ধ রয়েছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন