শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:১৭:৫৮ পিএম

পচা মাংস কীভাবে হয়ে যেত টাটকা, গন্ধহীন! জানা গেলো এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক | শনিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৮ | ০৭:২৬:১৩ পিএম

পচা মাংসের রূপবদল হতো বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতেই। প্রতীকী চিত্র, ছবি- শাটারস্টক।


ভাগাড়ের মাংস পাচার কাণ্ডে এবারে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ধৃতদের জেরা করে পুলিশ সূত্রের দাবি, রীতিমতো পেশাদারি এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পচা মাংস প্যাকেটবন্দি করে নামী ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, হোটেল এবং রেস্তোরাঁয় পাচার করা হত।

ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ভাগাড় থেকে সংগৃহীত মাংস বা মরা মুরগির মাংসে পচন আটকাতে এবং স্বাদ বাড়াতে বেশ কিছু বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতির অবলম্বন করা হতো। যদিও, তা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়।

পুলিশের দাবি ভাগাড়ের মাংস প্রথমে ফর্ম্যালিন দিয়ে ধোয়া হতো। এর পরে মাংসের চর্বি বের করে ক্যালসিয়াম প্রপোনেট অ্যাসিড মেশানো হতো। এতে মাংসের পচন ধরা আটকাতো। এর পরের ধাপে মাংসে লেড সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট মেশানো হতো। এর ফলে মাংসের পচা গন্ধ চলে যেত, স্বাদ বাড়ত। তার পরে মাংস পেশাদারি কায়দায় প্যাকেটবন্দি করা হতো।

তদন্তকারীরা অবশ্য জানতে পেরেছেন, খোলা বাজার নয়, এই মাংস বরং ফ্রোজেন মাংসের বিক্রয়কেন্দ্র, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, হোটেল এবং রেস্তোরাঁতেই মূলত সরবরাহ করা হত। একে খোলা বাজারে মাংস সরবরাহ করলে মুনাফা কম, তার উপরে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়, এই কারণেই ডিপার্টমেন্টাল স্টোর এবং হোটেল-রেস্তোরাঁকেই বেছে নিয়েছিল পাচারকারীরা।

যদিও, কোন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর বা হোটেল-রেস্তোরাঁতে এই মাংস যেত, তা এখনই জানাতে চাইছেন না তদন্তকারীরা। বরং এক টানা দুই চব্বিশ পরগনা, হাও়ড়া-সহ বেশ কিছু জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পচা মাংস সরবরাহের জাল কতটা বিস্তৃত ছিল, যত সময় যাচ্ছে, তা স্পষ্ট হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: এবেলা.ইন

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন