বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ ০১:৫০:১০ এএম

বজ্রপাতে মানুষ মরার আসল কারণ!

খোলা কলাম | মঙ্গলবার, ১ মে ২০১৮ | ০৭:৩৪:৫১ পিএম

পিলার" পাইলে কোটি টাকা, মনে আছে কার সেই আশ্চর্য পিলারের গল্প ?

পঁচা মিয়ার পকেটে পয়সা ছিলোনা টয়লেট ট্যাংকি পরিষ্কার করার, তিনি চিন্তায় পড়ে গেলেন কিভাবে টয়লেটের ট্যাংকি পরিষ্কার করবেন।

এদিকে টয়লেটের অবস্থা এমন হয়েছে যে, বসার মতো অবস্থাও নাই. "টাউট বিল্লালের" কথায় তিনি এলাকায় ছড়িয়ে দিলেন যে, তার টয়লেটের ট্যাংকির নিচে কোটি টাকার পিলার আছে।

ব্যাস, যেই-ই তারা জানলো গোপন পিলারের খবর, " পঁচা মিয়া" সকালে উঠে দেখেন তার টয়লেটের ট্যাংকির নিচে এক টুকরা মাটিও নাই।

এদিকে এলাকা জুড়ে " পঁচা মিয়া"র ফাঁসি চাই স্লোগান শুরু হয়ে গেলো কারণ, সারা রাত মাটি খোঁড়া জোব্বারেরা কিছুই পায়নি টয়লেটের নিচে।

বেচারার দল কিছু না পেয়ে পঁচা মিয়ার পিছু নিয়েছে।

" পাগলা বিল্লাল" এর বুদ্ধিতে বিনা পয়সায় পঁচা মিয়ার ট্যাংকি পরিষ্কার হয়ে গেলো।

পাঠক, বাংলাদেশের রহস্যময়ী পিলারের গল্প কে না জানে?

গত কয়েক বছর জুড়ে একটি বিশাল পিলার রেকেট ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলে।

রাতের আঁধারে তারা বিভিন্ন এলাকার সম্ভাব্য জায়গাতে মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের "কোটি টাকার পিলার " খোঁজার অপার চেষ্টা।

আমার চেনা জানা মতে কমপক্ষে ৫০ জনকে চিনি যারা, জমি জমা বিক্রি করে, ঘর সংসার ফেলে রেখে চষে বেড়াচ্ছেন দেশের আনাচে কানাচে।

এই পিলারের আসল রহস্য কেউ-ই জানেনা। তাঁদেরকে প্রশ্ন করলে একটাই জবাব, পেলেই কোটি টাকা দাম, কিন্তু কেউ পাচ্ছেনা।

এমন অবস্থায় তাদেরকে কে বোঝাবে এই রহস্যময় পিলারের পেছনের রহস্য ?

আজ আমি এই বিষয়ে কিছু রহস্যের পেছনের সত্য বলতে চাই।

জানা যায়, ব্রিটিশরা তৎকালীন সময়ে তাঁদের নিরাপত্তার প্রয়োজনে এই পিলার গুলো গেঁথেছিলেন. পিলারগুলো চুম্বকীয় ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরী।

রাডার কন্ট্রোল ও আকাশের বজ্রপাত ঠেকানোর জন্য এই ধরণের পিলার মহাভারতের সকল স্থানে বসিয়েছিলো।

তৎকালীন ব্রিটিশ কলোনির অধিবাসীদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করার জন্য গভীর মাটির নিচে বসানো হয়েছিলো এই মেগনেটিক পিলারগুলো।

কিন্তু আজ পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের কালো ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছে এই মহামূল্যবান পিলার গুলো।

ভারত থেকে আসা রহস্যময় কিছু অচেনা মানুষ, অবুঝ নাদান ও সহজ সরল বাঙালিদের মাঝে বিশাল এই লোভ ঢুকিয়ে দিয়েছে. যারাই এমন পিলার পাবে তাদেরকে দেয়া হবে কোটি টাকা।

আর এই বিশাল লোভ সামলাতে না পেরে বিশাল এক গোষ্ঠী নেমেছে এই পিলারের খোঁজে.

আজ পর্যন্ত আমরা কেউ শুনিনি কেউ এই পিলারের বিনিমিয়ে কোটি টাকা পেয়েছে.
হয়তো ভারতীয় ক্রেতা আসল পিলার পেয়ে বাঙালি বিক্রেতাকে হুমকি দিয়ে বলেছে, এটা আসল নয়, এটা নকল।

বাঙালি চুপচাপ ফিরে এসে আবারো আসলে খোঁজে নেমে পড়ে।

এটা কি তাহলে ষড়যন্ত্র !!!

অনেকেই মনে করেন, বাঙালি জাতিকে ধ্বংস করার অংশ হিসেবেই এই অপচেষ্টা. আজকাল বজ্রপাতে মানুষ মরার সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলছে।

আজ থেকে ২০ বছর আগে মানুষ এমন ভাবে মরেনি. তখন আরো অনেক বেশি বজ্রপাত হতো, রাখালেরা হালচাষ করতো, মাঝিরা মাছ শিকার করতো, দামাল ছেলেরা পথে প্রান্তরে বৃষ্টিতে খেলা করতো, কিন্তবজ্রপাতে এতো মানুষ কখনোই মরেনি।

এখন কেনো মরছে ? কারণ এটাই, বজ্রপাত ঠেকানোর সেসব বিশেষ ধাতব পদার্থের পিলারগুলোকে ষড়যন্ত্র করে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বাংলাদেশ থেকে।

আর কিছু কুচক্রী মহল সেই ফাঁদে পড়ে, নিজেরাও শেষ হয়েছে শেষ করেছে দেশের প্রাকৃতিক নিরাপত্তা।

সরকার ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানকে আহ্বান জানাচ্ছি, অতি সত্বর এই কালো মহলের খোঁজ করুন, দেশটাকে বাঁচান তাঁদের হাত থেকে।

নাহলে , বিশাল প্রাকৃতিক আক্রমণে বিনাশ হবে এই দেশ।

আমার লেখাটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে নিজের ওয়ালে শেয়ার করে সবাইকে হুশিয়ার করে দিন।

সাইফুর সাগর
সাংবাদিক , কলামিস্ট

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন