বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১০:৪৬:৫৭ এএম

‘তারেককে খালাস দেয়ায় বিচারককে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে’

রাজনীতি | বৃহস্পতিবার, ৩ মে ২০১৮ | ১১:১৬:৩২ এএম

তারেক রহমানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত কোন মামলায়? যে মামলায় তিনি খালাস পেয়েছিলেন। তাকে খালাস দেয়ার অপরাধে ওই বিচারককে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে। বরং বর্তমান সরকারই সাজাপ্রাপ্তদের মন্ত্রীত্বে বসিয়ে রেখেছেন।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তারেক রহমানকে নিয়ে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমান পার্টির কাউন্সিলে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সিনিয়র ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছেন। দলের চেয়ারপারসনের অনুপস্থিতিতে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের- এটা বিএনপির গঠনতন্ত্রের আছে। আমাদের নেতা আমরা নির্বাচিত করেছি। যোগ্য নেতা বলেই তাকে নির্বাচিত করেছি। এটাতে আপনাদের বলার কিছু নেই, এটা গ্রহণযোগ্য নয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনারা (সরকার) সব সাজাপ্রাপ্তদের নিয়ে মন্ত্রীত্বে বসিয়ে রেখেছেন। আপনাদের মামলাগুলো নিজেরা নিজেরা তুলে নিয়েছেন। আপনাদের মামলাও থাকুক, অন্যান্যদেরটাও থাকুক। দেখা যাক কি হয়? আর আদালত নিরপেক্ষ হোক।’ সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে বন্দুকের নল দিয়ে বের করার অভিযোগ তুলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই সরকার বিচার বিভাগকে শেষ করে দিয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কোথায়? ক্ষমতাসীন দল নিম্ন আদালতের সব ক্ষমতা নিয়ে নিয়েছে।

তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার প্রসঙ্গে টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলাপ করছেন তাকে দেশে ফিরিয়ে আনবেন। এই ভয় আমাদের দেখাচ্ছেন কেন? তারেক রহমান দেশে ফিরতে চাইলে তিনি আসবেন। জন্মগত নাগরিক হিসেবে তিনি দেশে ফিরে আসবেন। সেদিন আপনারা দেখবেন তার জনপ্রিয়তা কত। মানুষ তাকে কত ভালোবাসেন। সেই দিন দেখবেন কোটি কোটি মানুষ তাকে বরণ করার জন্য সেই এয়ারপোর্টে গিয়ে হাজির হয়েছে।

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলোর কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যে মামলাগুলো করেছে একটিরও ভিত্তি নেই। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ১১ বার আইও (তদন্তকারী কর্মকর্তা) পরিবর্তন করেছে। সর্বশেষ যাকে আইও করেছে সে একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং আওয়ামী লীগের নমিনেশন প্রার্থী ছিলেন। যাকে দিয়ে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি করেছে, তাকে তো ফাঁসি দিয়ে দিয়েছে যাতে সে কোনো কথা বলতে না পারে। 

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন