মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০১৭ ০৪:৫৯:২৪ এএম

কাসেমের জানাজায় অংশ নেন মোট ৪৫ জন, ৪১ জনই পরিবারের সদস্য

রাজনীতি | মানিকগঞ্জ | রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | ১১:১৪:৫৬ এএম

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় কার্যকর করার পর মানিকগঞ্জে তাঁর গ্রামের বাড়িতে লাশ দাফন করা হয়েছে। 
শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে জানাজা শেষে লাশ দাফন করা হয়। 
মীর কাসেমের জানাজায় অংশ নেন মোট ৪৫ জন। এর মধ্যে ৪১ জনই তাঁর পরিবারের সদস্য, বাকি চারজন কবর খোঁড়ার কাজ শেষে জানাজায় অংশ নেন।  মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা গ্রামে মীর কাসেম আলীর নিজ গ্রামের বাড়ির মসজিদের পাশে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়েছে। এর আগে চালা গ্রামে মীর কাসেমের প্রতিষ্ঠিত মসজিদ প্রাঙ্গণসহ আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। 
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় মীর কাসেমের মরদেহ বের করা হয় কাশিমপুর কারাগার থেকে। রাত ৩টা নাগাদ মানিকগঞ্জের চালা গ্রামে গিয়ে পৌঁছায় তাঁর মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স। 
কারাগার থেকে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স বের হতে দেখা যায়। অ্যাম্বুলেন্সগুলোর সামনে তিনটি ও পেছনে রয়েছে আরো তিনটি পুলিশের গাড়ি ছিল। এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাশিমপুর কারাগারে মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হয় বলে সাংবাদিকদের জানান জ্যেষ্ঠ জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক।
১০ মিনিট পর, অর্থাৎ রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে কাসেম আলীর দেহ ফাঁসির মঞ্চ থেকে নামানো হয়। মীর কাসেম জামায়াত নেতাদের মধ্যে পঞ্চম, যিনি মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসিতে ঝুললেন। এর আগে বিভিন্ন সময়ে জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, কামারুজ্জামান, আবদুল কাদের মোল্লার রায় কার্যকর হয়। 
এ ছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায় কার্যকর করা হয়েছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন