শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ ০৮:৩৯:৫৫ এএম

‘স্যরি’ বললেন ডিআইজি মিজান

জাতীয় | বৃহস্পতিবার, ৩ মে ২০১৮ | ০৭:৩৩:৩৮ পিএম

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এক সংবাদ পাঠিকাকে উত্যক্ত ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আলোচিত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘একজন ভদ্রমহিলার সঙ্গে কথোপকথন হয়েছিল, সেজন্য আমি স্যরি।’ তবে ট্যাক্স ফাইলের বাইরে তার আর কোনও সম্পদ নেই বলেও তিনি দাবি করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ মে) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রায় সাত ঘণ্টা দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে মিজানুর এ দাবি করেন। সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি দুদকের সেগুনবাগিচার প্রধান কার্যালয়ে হাজির হলে সাড়ে ৯টা থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করেন অভিযোগ তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী।

বিকেল ৪টার দিকে দুদক কার্যালয় থেকে বের হয়ে সেখানে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের মিজানুর বলেন, ‘একজন ভদ্রমহিলার সঙ্গে কথোপকথন হয়েছিল, সেজন্য আমি স্যরি। ট্যাক্স ফাইলের বাইরে আর কোনও সম্পদ নেই। পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদ সম্পর্কে কিছু বলবো না। মৌলভীবাজারে আসিফ আলী নামে এক ব্যক্তির নামে যে বাগানবাড়ি আছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানতে চেয়েছেন, আমি সে বিষয়ে খোঁজ নিতে বলেছি।’

এরপর দুদক সচিব ড. মো. শামসুল আরেফিন বলেন, ‘জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদের খোঁজ পেয়েই আমরা তাকে ডেকেছি। তিনি তার ট্যাক্স ফাইল ও চাহিদা মতো কাগজপত্র নিয়ে এসেছেন। আরও কিছু কাগজ চাওয়া হয়েছে। তিনি আগামী রোববার (৬ মে) সেসব কাগজ নিয়ে আবার আসবেন। প্রয়োজনে তার পরিবারের সদস্য বা স্বজন, যেখানে যেখানে টাকা ট্রান্সফার হয়েছে, তাদেরও ডাকা হবে। আইনে সে বিধান আছে। অভিযোগ প্রমাণ হলে ছাড় পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। আমরা তার বিষয় তদন্ত শুরু করেছি।’

গত ২৫ এপ্রিল দুদক থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বরাবর চিঠি পাঠিয়ে মিজানুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়।

মিজানুর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদরদফতরে সংযুক্ত করা হয়।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন