সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ ১২:৩৩:৪০ পিএম

পদ্মায় রেল দূরত্ব কমাবে যশোর খুলনার

জাতীয় | রবিবার, ৬ মে ২০১৮ | ০২:২১:০৮ পিএম

রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, ‘বর্তমানে ঢাকা থেকে যশোরের দূরত্ব ৩৫৬ দশমিক ৪০ কিলোমিটার। পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এ দূরত্ব হবে মাত্র ১৭০ দশমিক ৬৭ কিলোমিটার। অর্থাৎ ১৮৫ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার দূরত্ব কমে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা হতে খুলনার দূরত্ব দাঁড়াবে ১৯১ দশমিক ১৩ কিলোমিটার। অর্থাৎ এ পথের দূরত্ব কমবে ২১৩ দশমিক ২৭ কিলোমিটার। বর্তমানে ঢাকা থেকে ট্রেনে চড়ে খুলনা যেতে সময় লাগে ৯ ঘণ্টা। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পর সময় লাগবে মাত্র ৪ ঘণ্টা।’

আজ (রোববার) রেলভবনের সম্মেলন কক্ষে (যমুনা) পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প বিষয়ে সার্বিক অবস্থা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় রেলপথ সচিব মো. মোফাজ্জল হোসেন, অতিরিক্ত সচিব (প্রকল্প পরিচালক) গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ইআরডির (অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ) অতিরিক্ত সচিব মো. জাহিদুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রেলপথমন্ত্রী বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ২০১৬ সালের ৮ আগস্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড’ এর সঙ্গে ২৭ হাজার ৬৫২ কোটি ৫৭ লাখ টাকার কমার্শিয়াল চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে ২৬৬ কোটি ৭৯ লাখ ডলারের ঋণচুক্তিতে স্বাক্ষর হয়েছে। গত ২৭ এপ্রিল বেইজিংয়ে বাংলাদেশের পক্ষে ইআরডির অতিরিক্ত সচিব মো. জাহিদুল হক ও চায়না এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট সুন পিং এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।’

তিনি বলেন, ‘শিগগিরই এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সার সংক্ষেপ পাঠাবো। তিনি যেদিন সময় দেবেন, সেদিন এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ প্রকল্পের আওতায় মোট ২১৫ দশমিক ২২ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ করা হবে। যার মধ্যে প্রায় ২৩ কিলোমিটার হবে উড়াল (এলিভেটেড) পথ। এমনকি কেরাণীগঞ্জে রেলওয়ে স্টেশনটিও উড়াল রেলপথে নির্মিত হবে। এ সেকশনে ১৪টি নতুন রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণ করা হবে। একইসঙ্গে ৬টি স্টেশন নবায়ন করা হবে। এছাড়া এ সেকশনে নতুন ট্রেন পরিচালনার জন্য ১০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সংগ্রহ করা হবে’।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন