মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৮:২৬:৫০ পিএম

বাংলাদেশের তরুণদের দরকার সামান্য সহযোগিতা

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি | রবিবার, ৬ মে ২০১৮ | ১১:০২:১০ পিএম

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাইকেল ফোলি বলেছেন, বাংলাদেশে প্রতিভাবান অনেক তরুণ আছেন, যাদের সাফল্য লাভের জন্য সামান্য সহযোগিতা দরকার। গ্রামীণফোন সে কাজটি-ই করছে, জিপি অ্যাক্সিলেরেটর হচ্ছে সেই সহযোগিতা। রোববার জিপি হাউজে গ্রামীণফোন অ্যাক্সিলেরেটরের (জিপিএ) পঞ্চম ব্যাচকে চারমাসব্যাপী কর্মসূচিতে স্বাগত জানানোর জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অ্যাক্সিলেরেটর কর্মসূচির অগ্রগতিতে উল্লাস প্রকাশ করে গ্রামীণফোনের চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্র্যান্সফরমেশন অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, আমার বিশ্বাস জিপি অ্যাক্সিলেরেটর দেশের স্টার্টআপ ইকো সিস্টেমে বড় প্রভাব ফেলেছে।

তিনি বলেন, এই অ্যাক্সিলেরেটর প্রোগ্রাম খুব কমসময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত স্টার্টআপ মেন্টরমিপ প্রোগা্রামে পরিণত হয়েছে। এটা সম্ভব হওয়ার কারণ হচ্ছে প্রোগ্রামের মেন্টর এবং অংশগ্রহণকারীরা কখনোই তাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি। এই নতুন ব্যাচ এখন পর্যন্ত দেখা ব্যাচগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সেরা এবং আমি অপেক্ষায় আছি এটা দেখতে যে তারা এই প্রোগ্রাম শেষ করার পর কতটা সাফল্য অর্জন করে।

জিপি অ্যাক্সিলেরেটরের প্রধান মিনহাজ আনোয়ার বলেন, মাত্র দুই বছরেরই জিপি অ্যাক্সিলেরেটর বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে একটি মানদণ্ড হয়ে উঠেছে।

এইবার জিপি অ্যাক্সিলেরেটরে অনলাইন শিক্ষা, মাইক্রো জব প্ল্যাটফর্ম, ভিএএএস অটোমেশন, পার্কিং সুবিধা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নিচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে চালু হয় এই কর্মসূচি। এবার পঞ্চম ব্যাচের জন্য জিপি অ্যাক্সিলেরেটর দুই সপ্তাহে এক হাজারের বেশি আবেদন পড়েছিল। একটি কঠিন বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে দুদিনব্যাপী বুট ক্যাম্পে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং এদের মধ্য থেকে ১৫টি স্টার্টআপকে নির্বাচন করা হয় আরেও যাচাই, মুখোমুখি সাক্ষাৎকার এবং পিচ প্রেজেন্টেশনের জন্য। তীব্র প্রতিযোগিতার পর পাঁটি প্রতিশ্রুতিশীল স্টার্টআপকে জিপি অ্যাক্সিলেরেটর পঞ্চম ব্যাচের জন্য নির্বাচন করা হয়।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন