বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ ০৬:৩২:৪৭ এএম

নির্বাচন স্থগিতের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি পেলেন বিএনপি প্রার্থী

রাজনীতি | গাজীপুর | সোমবার, ৭ মে ২০১৮ | ০১:১১:১৩ পিএম

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন তিন মাস স্থগিত করে দেয়া হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার অনুমতি পেয়েছেন বিএনপির মেয়রপ্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার।
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত তাকে এ অনুমতি প্রদান করেন।

দুপুর দেড়টার দিকে হাসান উদ্দিন সরকার আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

এদিকে রোববার হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ জারির পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, আদেশের লিখিত কপি পাওয়ার পর এ বিষয়ে আপিল করব কিনা সিদ্ধান্ত নেব।
ইসির আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশনকে স্থগিতাদেশের বিষয়টি জানানো হয়েছে। কমিশনই আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

এছাড়া নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, আপিল করার উদ্যোগ ইসি নাকি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নেবে তা এ মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। আদেশের কপি পাওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, রোববার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচার জাফর আহমদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।

আদেশে সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ছয়টি মৌজাকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করা গেজেট এবং গাজীপুর সিটি নির্বাচন সংক্রান্ত তফসিল কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (সিটি করপোরেশন-২),ঢাকা জেলা প্রশাসক, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নয়জনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

হাইকোর্টে রিটটি করেন সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার শিমুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবিএম আজহারুল ইসলাম সুরুজ। তিনি সাভার আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক সম্পাদক। আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী বিএম ইলিয়াস কচি। নির্বাচন স্থগিতে চারটি যুক্তি আদালতে তুলে ধরেন তিনি।

ইলিয়াস কচি বলেন, প্রথমত, এই ছয়টি মৌজা গাজীপুর সিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি ঢাকা জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়নি। দ্বিতীয়ত, এক জেলার এলাকা অন্য জেলায় স্থানান্তরের ক্ষেত্রে যে প্রশাসনিক নিয়ম আছে তা অনুসরণ করা হয়নি। তৃতীয়ত, ওই ছয়টি মৌজা গাজীপুর সিটির অন্তর্ভুক্ত হলেও তারা শিমুলিয়া ইউনিয়নেরই ভোটার। তাই তারা এখন দ্বৈত নাগরিক। চতুর্থত, দ্বৈত নাগরিকত্বের ফলে ওই ছয় মৌজার বাসিন্দাদের উভয় অঞ্চলেই কর পরিশোধ করতে হবে। যা সংবিধান পরিপন্থী।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন