শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ ০৩:১৫:৫৪ এএম

কেন্দ্রে না যেতে বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে কালো মুখোশধারীদের হুমকি

রাজনীতি | খুলনা | মঙ্গলবার, ১৫ মে ২০১৮ | ১২:০৭:৪৮ পিএম

খুলনা নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডসহ কয়েকটি এলাকায় কালো মুখোশধারীরা বিএনপির নেতাকর্মী ও পোলিং এজেন্টদের বাড়িতে হানা দেয়ার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইকবাল নগর এলাকায় হুমকির এমন ঘটনা ঘটে। পরে এলাকাবাসীর খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে মুখোশধারীরা পালিয়ে যায়।

আরো কয়েকটি এলাকার খবর শোনা গেলেও পুলিশ যাওয়ার আগেই তারা সরে পড়ে।
২৪নং ওয়ার্ডের এই এলাকাকে আগে থেকেই অতি ঝুঁকিপূর্ণ বলে দাবি করে আসছিল বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এর মধ্যে এ হুমকির ঘটনা ঘটে।
এছাড়াও কয়েকদিন ধরেই বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে অনেকগুলো ওয়ার্ডের বেশ কয়েকটি ভোট কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে দাবি করা হচ্ছে।

কেন্দ্রগুলো হলো ১নং ওয়ার্ডের মানিকতলা আবু সুফিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মহেশ্বরপাশা শহীদ জিয়া মহাবিদ্যালয়, মহেশ্বরপাশা নিউ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২নং ওয়ার্ডের ইউসেফ এম এ মজিদ স্কুল, খুউক(কেডিএ) খানজাহান আলী সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩নং ওয়ার্ডের মধ্যডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শশীভুষণ শিশু নিকেতন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মহেশ্বরপাশা আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কার্ত্তিককুল সালেহা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৪নং ওয়ার্ডের দেয়ানা মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, দেয়ানা দক্ষিণপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫নং ওয়ার্ডের সরকারী দৌলতপুর মুহসীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বীণাপানী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬নং ওয়ার্ডের সরকারী বি এল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ (কলা ভবন), আফিল উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাবলা সবুজ সংঘ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শের-ই-বাংলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭নং ওয়ার্ডের উত্তর কাশিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মোহাম্মদিয়া ফেরদৌসিয়া হাফিজিয়া নুরানী মাদ্রাসা ও এতিমখানাসহ ৩১টি ওয়ার্ডের প্রায় ১২৪ টি ভোট কেন্দ্র।
অন্যদিকে সোমবার দিবাগত রাতে ২৫নং ওয়ার্ডের বিএনপি কাউন্সিলর প্রার্থী আরজু’র বাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ।

সঙ্গে সঙ্গে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বিভাগীয় নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে অবস্থান নেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তিনি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ইউনুস আলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, খুলনা মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. হুমায়ুন কবির, খুলনা ডিবি’র ডিসি ও খুলনা সদর, সোনাডাঙ্গা, খালিশপুর, লবনচরা, হরিণটানা এবং দৌলতপুর থানার ওসিকে প্রত্যাহার করতে হবে। কারণ হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও তারা বিনা ওয়ারেন্টে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে। একই সঙ্গে নগরীর ৩৮টি আবাসিক হোটেলে বহিরাগত সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। আবাসিক হোটেল ছাড়াও নগরীর মিয়াপাড়া মহল্লার হাবিব তালুকদারের বাড়িতে রামপালের সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে।

তাদেরকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করতে হবে। তা না হলে মঙ্গলবারের নির্বাচন হবে না। কোন ভোট হবে না। রাতেই সব হয়ে যাবে। খুলনাবাসী এমন প্রহসন চায় না। এই দাবিগুলো না মানলে, একশনে না গেলে আমি রুমের সামনে অবস্থান করবো। তিনি বলেন, কয়েকটি কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারদের পুলিশ ডেকে বলছে ব্যালট নিয়ে আমাদের কাছে আসেন। প্রিসাইডিং অফিসাররা যেন পুলিশের কাছে ব্যালট নিয়ে না যায় সেই নির্দেশ দিতে হবে আপনাকে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন