শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ ০৬:৫৯:২০ এএম

অস্ট্রিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের এয়ার সার্ভিস চুক্তি শনিবার

জাতীয় | শুক্রবার, ১৮ মে ২০১৮ | ০৫:৪৮:১৫ পিএম

৫৩তম দেশ হিসেবে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার উদ্দেশ্যে অস্ট্রিয়ার সঙ্গে এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট (এএসএ) হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের। ১৯ মে, শনিবার এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

সূত্র জানায়, দুই দেশের যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি চুক্তিতে গুরুত্ব পাবে বাংলাদেশি ফ্রেইটার এয়ারলাইনসের সরাসরি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা। বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে ৫২টি দেশের এএসএ চুক্তি রয়েছে। অস্ট্রিয়ার সঙ্গে এই সই করতে ১৬ মে দেশটিতে সফরে গেছেন বাংলাদেশের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামালের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান, পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশনস) উইং কমান্ডার চৌধুরী এম জিয়াউল কবির, দেশীয় কার্গো এয়ারলাইনসের প্রতিনিধি হিসেবে ট্রু এভিয়েশন লিমিটেডের পরামর্শক আরেফিন ইসলাম প্রমুখ।

চুক্তির বিষয়ে বেবিচকের ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশনস ডিরেক্টর উইং কমান্ডার চৌধুরী এম জিয়াউল কবির জাগো নিউজকে জানান, অস্ট্রিয়ার সঙ্গে এর আগে আকাশপথে বাংলাদেশের কোনো ধরনের চুক্তি ছিল না। দুই দেশের কয়েকটি এয়ারলাইনস সরাসরি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনায় আগ্রহ দেখিয়েছে। ২০১৭ সালে সেফটি স্ট্যান্ডার্ড কমপ্লায়েন্সে (ইফেকটিভ ইমপ্লিমেন্টেশন) এশিয়ার দেশগুলোর মধ্য বাংলাদেশের অবস্থান নেতৃত্বপর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে অনেক দেশই বাংলাদেশের সঙ্গে এএসএ হালনাগাদ করছে।

এটিকে বাংলাদেশের এভিয়েশন সেক্টরের জন্যে আশির্বাদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে চুক্তিতে সর্বনিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ হতে পারে, যা পরবর্তীতে চাহিদার ভিত্তিতে বাড়বে।

উল্লেখ্য, অস্ট্রিয়া ছাড়াও ঢাকার সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালাতে আগ্রহী ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, মালদ্বীপ ও কানাডা। শিগগিরই এসব দেশের সঙ্গে এএসএ স্বাক্ষরিত হবে। অন্যদিকে ফ্লাইট কার্যক্রম চলমান থাকলেও চাহিদা বাড়ায় নতুন করে আরও ফ্রিকোয়েন্সি বাড়াতে চায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও চীন। এরই ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে এএসএ হালনাগাদ করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বেবিচক।

গত বছর আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইকাও) সেফটি স্টান্ডার্ড কমপ্লায়েন্সের (ইফেকটিভ ইমপ্লিমেন্টেশন) দিক থেকে শতকরা ৭৫ দশমিক ৩৪ স্কোর অর্জন করে বাংলাদেশ।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন