মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ ০৫:৫১:৪৬ এএম

টাকার লোভে মা ও মেয়েকে বিয়ে, এলাকায় চাঞ্চল্য

জেলার খবর | ফরিদপুর | শুক্রবার, ১৮ মে ২০১৮ | ০৬:০৫:০৮ পিএম

ফরিদপুরে টাকার লোভে এক লম্পট এক বছরের ব্যবধানে মেয়ে ও তার মাকে (শাশুড়ি) বিয়ে করেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে কৌতুহলী নারী-পুরুষ তাদের দেখতে ভিড় জমায় ওই গ্রামে। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর সদর উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামে। এলাকার মানুষ উভয়কে আটক করে স্থানীয় মেম্বারের কাছে বিচারের জন্য দিলে মেম্বার তাদের বিনা বিচারে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা জানায়, চন্ডিপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন গ্রামের মোহাম্মদ দফাদারের ছেলে রাজমিস্ত্রী নুর ইসলাম (৩০) কাজের সুবাদে একই গ্রামের জলিল মোল্যার মেয়ে জেনির (১৫) সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে গত এক বছর আগে মালদ্বীপ প্রবাসী জলিল মোল্যার মেয়ে জেনিকে আদালতের মাধ্যমে (কোর্টম্যারেজ) বিয়ে করে। গত সাড়ে তিন বছর আগে জলিল মোল্যা মালদ্বীপ যান। এরপর প্রবাসী জলিল মোল্যার স্ত্রীকে পাঠানো টাকার দিকে নজর পড়ে লম্পট নুর ইসলামের। গত ৪ মাস আগে জেনির মা ঝর্না বেগমকে (২৯) আদালতে নিয়ে বিয়ে করে লম্পট নুর ইসলাম। ঘটনা জানাজানি হলে মা-মেয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। বিয়ের পর থেকে ঝর্না বেগম চন্ডিপুর গ্রামের বাড়িতে থাকতেন এবং জেনি চন্ডিপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নুর ইসলামের বাড়িতে থাকতেন।

বৃহস্পতিবার রাতে নুর ইসলাম তার চন্ডিপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নিজ বাড়িতে শাশুড়ি ঝর্না বেগমকে নিয়ে এলে এলাকার মানুষ বিষয়টি নিয়ে নানা কথাবার্তা শুরু করে। এসময় গ্রামবাসী তাদের আটক করে স্থানীয় ২নং ওয়ার্ড মেম্বার মো.কাউসারের জিম্মায় দেন।

মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে শাশুড়ি ঝর্না বেগম বলেন, আমার মেয়ে জেনির সঙ্গে গত এক বছর আগে নুর ইসলামের কোর্ট ম্যারেজ হয়েছে। এরপর গত চার মাস আগে নুর ইসলাম আদালতে নিয়ে আমাকে বিয়ে করে। আমার মেয়ের কোনো সন্তানাদি নেই। বর্তমানে আমি (ঝর্না বেগম) চার মাসের অন্তঃস্বত্বা।

এ ব্যাপারে মাচ্চর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. কাউসার বলেন, রোজার প্রথম তারাবির নামাজের কারণে আমি চৌকিদার মক্কাছের এর জিম্মায় ওদের রেখে এসেছি। কিন্তু পরে জানতে পারলাম সেখান থেকে ওরা পালিয়েছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন