মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ ০১:৪৯:০৯ পিএম

রোগীর মৃত্যু ঘিরে আইচি হাসপাতাল ভাঙচুর

জাতীয় | শনিবার, ১৯ মে ২০১৮ | ০১:৫৫:২৩ এএম

রাজধানীর উত্তরায় আইচি হাসপাতালে ইউনুছ আলী (৫৫) নামে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকা সত্ত্বেও ডাক্তার আসতেছে বলে রোগী আটকে রাখে। পরবর্তীতে ডাক্তার আসার আগেই সে মারা যায়।

উত্তরা পূর্ব থানাধীন আব্দুল্লাহপুরের আইচি হাসপাতালে শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে পুলিশের সহযোগীতায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে মিমাংসার মাধ্যমে লাশ নিয়ে যায় স্বজনরা।

উত্তরা থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আইচি হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মৃত ওই রোগীর স্বজনরা ক্ষুদ্ধ হয়ে ওই হাসপাতাল ভাংচুড় ও চিকিৎসকদের উপর হামলা চালায়।

নিহতের ছোট ভাই, আনোয়ার হোসেন বলেন, দুপুরে হৃদ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ইউনুছকে আইচি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রথমে চিকিৎসক আছে বলে চিকিৎসার জন্য রোগী ভর্তি করানো হয়। ভর্তি করানোর পর তারা (হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ) জানায়- হাসপাতালে ডাক্তার নেই। পরবর্তীতে ডাক্তার আসছে আসছে বলে বিকেল পর্যন্ত রোগী রেখে দেয়। এমতাবস্থায় সন্ধ্যায় কিছুক্ষণ আগে সে মারা যায়। পরবর্তীতে নিহতের আরো স্বজন ও এলাকাবাসী এসে হাসপাতাল ভাংচুর করে। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে তর্কবিতর্ক ও ধাক্কাধাক্কি হয়।

অপরদিকে নিহতের মেয়ের জামাই রেজাউল ইসলাম বলেন, ডাক্তার না থাকা স্বত্ত্বেও হাসপাতালে রোগীকে আটকে রেখে মারা যাওয়ার পর বিল দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছে। একে কেন্দ্র করে হাসপাতালে ঝামেলা হয়েছিল। পরে পুলিশ এসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে আমাদের সমঝোতা করে দেয়।

এ বিষয়ে উত্তরা পূর্ব থানার পরিদর্শক (অপারেশ) বলেন, `রোগী মারা যাওয়াকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজনরা মেন্টিমেন্টাল হয়ে কিছুটা ঝামেলা সৃষ্টি করেছিল। পরবর্তীতে তারা নিহতের লাশ দাফনের জন্য নিয়ে গেছে।

এর আগে উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নুরে আলম সিদ্দিক বলেন, হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তার স্বজনরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এতে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করছি এবং মূলত কী কারণে এই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে সেটি খতিয়ে দেখছি।

আইচি হাসপাতালে গিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে এ বিষয়ে জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কর্তব্যরত সিকিউরিটি গার্ড সাইফুল ইসলাম নতুম সময়কে বলেন, হাসপাতালে ঢুকা যাবে না। কারণ হাসপাতালে কোন ডাক্তার কিংবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কেউ নেই।

-নতুন সময়

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন