সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৭:২৭:৫৮ পিএম

ঐশ্বরিয়াকে ‘সমকামী’ তকমা!

নুরুজ্জামান খান | বিনোদন | শনিবার, ১৯ মে ২০১৮ | ১১:২৯:৩৫ পিএম

ঐশ্বর্যা রাই, যিনি বিবাহের পরে ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি একজন জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় অভিনেত্রী এবং প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী।

অভিনয় জগতে পদার্পণ করার আগে তিনি মডেল হিসেবে কাজ করতেন এবং ১৯৯৪ সালে বিশ্ব সুন্দরী খেতাব অর্জন করার পর ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেন। সমগ্র কর্মজীবনে রাই বেশ কিছু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রসহ চল্লিশটিরও বেশি হিন্দী, ইংরেজি, তামিল, এবং বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

গণ মাধ্যমে প্রায়শই বিশ্বের অন্যতম সুন্দরী মহিলা হিসেবে উল্লেখিত রাই, মণি রত্নমের তামিল ছবি ইরুবর (১৯৯৭) ছবিতে অভিনেত্রী হিসেবে প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন এবং প্রথম বাণিজ্যিক সাফল্য পান তামিল ছবি জিন্স (১৯৯৮)-এ। তিনি সঞ্জয় লীলা বনসালী পরিচালিত হাম দিল দে চুকে সনম (১৯৯৯) ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ২০০২ সালে বনসালীর পরবর্তী ছবি দেবদাস-এ তিনি অভিনয় করেন। যার জন্য তিনি দ্বিতীয় বার ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।

কিন্তু এবার বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার এই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে নিজের মেয়ের ঠোঁটে চুমু খাওয়ার দায়ে শিশুকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ আনা হয়েছে। এমন কুৎসিত অভিযোগ এনেছেন সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু নেটিজেন। শুধু তাই নয়, বলিউডের প্রভাবশালী বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া সমকামী কিনা এমন প্রশ্নও ছুঁড়ে দিয়েছেন তারা।

ঘটনা হচ্ছে, গত ১৩ মে ছিল বিশ্ব মা দিবস। ওইদিন একমাত্র মেয়ে আরাধ্য বচ্চনের ঠোঁটে চুমু খাওয়ার একটি ছবি নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। ক্যাপশনে লেখেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে সুখী মা’। মা-মেয়ের ভালোবাসার সেই ছবিই এখন প্রশ্নবানে জর্জরিত।

তারকা মা-মেয়ের চুমু খাওয়ার সে ছবি প্রকাশ হতেই রা রা করে ওঠেন কিছু নেটিজেন। তাদের একজন মন্তব্য করেন, ‘কিছু কিছু তারকা আছেন যারা পশ্চিমা রীতি নকল করেন, বাচ্চাদের ঠোঁটে চুম খান। ব্যাপারটা খুবই বীভৎস!’ কেউ কেউ আবার এটাকে শিশুদের ওপর যৌন নিগ্রহ বলে উল্লেখ করেন।

তবে মা-মেয়ের ভালোবাসার সেই মুহূর্তের পক্ষেও দাঁড়িয়েছেন অনেকে। ছবিটি নিয়ে যারা বাজে মন্তব্য করেছেন, তাদের সপাটে চড় মেরেছেন তারা। বলেছেন, ‘মা-মেয়েকে নিয়ে যারা বিকৃত ও অসুস্থ মানসিকতার মন্তব্য করেছেন তাদের চিকিৎসা হওয়া দরকার। মা-মেয়ের পবিত্র সম্পর্কের মধ্যে যারা যৌনতার গন্ধ পায়, তারা আর যাই হোক সুস্থ মানসিকতার মানুষ হতে পারে না।’

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন