রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮ ১১:১৮:২৫ পিএম

রাশিয়া বিশ্বকাপের ফেভারিট ফাইভ

খেলাধুলা | সোমবার, ২১ মে ২০১৮ | ০২:০৩:১৭ পিএম


রাশিয়া বিশ্বকাপ যতোই এগিয়ে আসছে, উত্তেজনার পারদও চড়ছে। আগামী ১৪ জুন স্বাগতিক রাশিয়া ও সৌদি আরবের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে রাশিয়া বিশ্বকাপ। কিন্তু তার আগেই বিশ্বকাপজ্বরে কাঁপছে পুরো বিশ্ব।বাংলাদেশেও লেগেছে বিশ্বকাপ উন্মাদনা। এরই মধ্যে রাজধানীসহ দেশের বড় শহরগুলোতে উড়তে ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার পতাকা। চায়ের কাপে ঝড় উঠাও শুরু হয়ে গেছে। চলছে নানারকম জরিপ আর বিশ্লেষণ – উদ্দেশ্য একটাই শুরুর আগেই ধারণা পাওয়া, কার হাতে উঠছে বিশ্বকাপ ট্রফি? রাশিয়ার মাঠে ফেভারিট তকমা নিয়ে খেলতে যাওয়া শীর্ষ পাঁচ দলে চোখ রাখা যাক।

ব্রাজিল
বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরেই ফেভারিট তালিকায় থাকা দলটির নাম ব্রাজিল। রাশিয়া বিশ্বকাপে  পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বলা হচ্ছে হট ফেভারিট। বাছাই পর্বে  ধারাবাহিক নৈপুণ্যে সবার আগে টিকেট নিশ্চিত করেছিল দলটি।  বর্তমান কোচ তিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্রুত পাল্টে গেছে ব্রাজিল। সব দল যেখানে রাশিয়ার টিকেট পাওয়ার জন্য মুখিয়ে ছিল, সেখানে অনায়াসেই বাছাইপর্ব টপকে সবার আগে রাশিয়া টিকেট অর্জনের কৃতিত্ব দেখায় পেলের উত্তরসূরিরা। বিভিন্ন ইউরোপীয় ক্লাবে খেলা তারকা ফুটবলারদের নিয়ে দলটি পরিপূর্ণ এবং ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এবারের বিশ্বকাপে ফেভারিট ব্রাজিল। কারণ  দলটির প্রতিটি পজিশনেই উপস্থিতি রয়েছে পরীক্ষিত সব পারফরমার। ২০১৪ বিশ্বকাপে নিজেদের মাঠে ব্যর্থতার পরে অধিনায়কত্ব হারানোর পাশাপাশি দল থেকেও বাদ পড়েন থিয়াগো সিলভা। কিন্তু তিতে আবার তার আত্মবিশ্বাসের জায়গায় ফিরিয়ে এনেছেন। সিলভার পিএসজি সতীর্থ মারকুইনোস এবং ইন্টার মিলানের মিরান্দাকে নিয়ে বিশ্বসেরা এক ডিফেন্স দাঁড় করিয়েছেন তিতে। তার সঙ্গে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডে কাসেমিরো এবং পাউলিনহো দলকে যেমন ভারসাম্য দিয়েছেন তেমনি করেছেন নিরাপদ। বর্তমান ফুটবলের সেরা তিন ফরোয়ার্ডে র একজন নেইমার। এবার ব্রাজিলকে  কেবল নেইমার নির্ভর দল বলা যাবে না। দলে আছে কৌটিনহো, উইলিয়াম, ডগলাস কস্তার মতো খেলোয়াড়। তাদের যে কেউ  ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা রাখেন। গ্যাবিয়েল জেসুসেও হতে পারে সেলকাওদের ট্রাম্প কার্ড । অলিম্পিক জেতাতে দারুণ অবদান রাখা জেসুস ১৫ টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে নয় গোল করে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন।  ব্রাজিল দলে আছে আলিসনের মতো বিশ্বের প্রথম সারির একজন গোলরক্ষক। এই গোলরক্ষক এরইমধ্যে রিয়াল মাদ্রিদের প্রথম পছন্দে পরিণত হয়েছেন। সব মিলিয়ে যে ব্যালেন্সড স্কোয়াড নিয়ে ব্রাজিল এবারে বিশ্বকাপের মাঠে নামছে, তাদের রুখতে বেগ পেতে হবে যে কোনো দলেরই।


ব্রাজিল স্কোয়াড
গোলরক্ষক: আলিসন, কাসিও, এডারসন।ডিফেন্ডার: দানি আলভেস, দানিলো, মার্সেলো, আলেক্স সান্দ্রো, জেমারসন, মারকুইনহোস, মিরান্দা, থিয়াগো সিলভা। মিডফিল্ডার: কাসেমিরো, পাউলিনহো, দিয়েগো, ফের্নান্দিনিয়ো, জুলিয়ানো, ফিলিপে কুতিনহো, রেনাতো আগুস্তো, উইলিয়ান, দগলাস কস্তা। ফরোয়ার্ড: দিয়েগো সৌজা, রবার্তো ফিরমিনো, গ্যাব্রিয়েল জেসুস, নেইমার ও তাইসন।

জার্মানি
রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানি। চার বার করে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ হওয়া দলটি এবারও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো দল গঠন করেছে। যদিও কোনো কোনো বিশ্লেষক বলছেন, বর্তমান দলটিতে কিছুটা হলেও অভিজ্ঞ ফুটবলারদের ঘাটতি রয়েছে। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ী জার্মান তারুণ্যনির্ভর দল নিয়েই রাশিয়া বিশ্বকাপের মাঠে নামবে। বিশ্বের অন্যতম সেরা কোচ জোয়াকিম লো  বিশ্বাস করেন, তরুণরা ছক অনুযায়ী খেলতে পারলে এবারের বিশ্বকাপও জার্মানিতেই আসবে। দলে  ইনজুরির ধাক্কা সামলে রিজার্ভ  বেঞ্চের ১০ জয় নিয়ে অনায়াসেই ২০১৮ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে জার্মানি।  টিমো ওয়ার্নার ও সান্দ্রো ওয়াগনার মতো তরুণ প্লে-মেকার আছেন দলে। পাশাপাশি বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ধারাবাহিক নৈপুন্য দেখানো  জোসুয়া কিমিচ রয়েছেন দুর্দান্ত ফর্মে। যে কোনো মুহূর্তে জ্বলে ওঠতে পারেন মেসুত ওজিল আর ম্যাটস হুমেলস। তাছাড়া দলের অধিনায়ক এবং গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার চোট কাটিয়ে জানুয়ারিতেই মাঠে ফেরায় জার্মান শিবিরে ফিরেছে স্বস্তি। তবু ফরোয়ার্ডে খানিকটা দুর্বলতা রয়ে গেছে জার্মানির। ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের মতো খাঁটি কোনো স্ট্রাইকার নেই। এক মারিও গোমেজ রয়েছেন, যিনি এখন বয়সের ভারে ন্যুজ হয়ে পড়েছেন। তার পরিবর্তেএই জায়গাটা নেয়ার চেষ্টা করছেন। তবুও স্পেনের সঙ্গে ১-১ ড্র এবং ব্রাজিলের কাছে ১-০ গোলে হার- বিশ্বকাপের আগে জার্মানিকে নিয়ে ভক্তদের কপালে চিন্তার রেখা ফুটিয়ে তুলছে। তবুও, ফেবারিটের তালিকায় ব্রাজিলের পরেই রয়েছে জার্মানি।


জার্মান স্কোয়াড
গোলরক্ষক: বার্নড লেনো, ম্যানুয়েল ন্যুয়ার, মার্ক আন্দ্রে টার স্টেগান, কেভিন ট্র্যাপ। ডিফেন্ডার: মাথিয়াস জিনটার, জোনাস হেক্টর, জেরোম বোয়েটেং, ম্যাটস হামেলস, নিকলাস শুলে, জসুযা কিমিচ, মারভিন প্ল্যাটেনহার্ডট, আর্ন্তোনিও রুডিগার, জোনাথান তাহ।মিডফিল্ডার/ফরোয়ার্ড: জুলিয়ান ব্র্যান্ডট, জুলিয়ান ড্রেক্সলার, মারিও গোমেজ, লিওন গোরেৎজা, ইলকে গান্ডোগান, লেরও শেন, সামি খাদিরা, টনি ক্রুস, থমাস মুলার, সেবাস্তিয়ান রুডি, মেসুত ওজিল, নিলস পিটারসেন, মার্কো রিউস, টিমো ওয়ের্নার।

স্পেন
২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন ফুটবলের ধারক-বাহক স্পেন আসন্ন রাশিয়া বিশ্বকাপের তৃতীয় ফেভারিট। অনেক তরুণ ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন স্প্যানিশ দলটির টার্গেট গত বিশ্বকাপের দুঃস্বপ্ন ভুলে শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার করা।সার্জিও রামোসের নেতৃত্বাধীন দলটিতে অসাধারণ অভিজ্ঞতা এবং টেকনিক্যাল উৎকর্ষতার মিশেল ঘটেছে খুব নিখুঁতভাবে। নতুন কোচ হুলে লোপেতেগির অধীনে দুর্দান্ত সময় পার করছে স্পেন। তার কোচিংয়ে এখন পর্যন্ত ১৮ ম্যাচের একটিতেও হারেনি সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। স্বাভাবিকভাবেই রাশিয়া বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার আগেই ফেভারিটের তকমা পেয়েছে দলটি। তবে তাতে ভেসে যেতে চাইছেন না ডেভিড দি গিয়ারা। তাদের মুল লক্ষ্য বিশ্বমঞ্চে হারানো শিরোপা পুনরুদ্ধার।রাশিয়া বিশ্বকাপে এবার হুলে লোপেতেগি ভরসা রাখছেন বেশিরভাগ তরুণ ফুটবলারের উপর। সে হিসেবে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের গোলপোস্ট সামলাবেন ডেভিড ডি গিয়া। তার সামনে সার্জিও রামোস ও জেরার্ড পিকে, জর্দি আলবা, মার্কো বার্তারা, ন্যাচো, দানি কার্ভাজালরা থাকবেন। তাদেরকে টপকে বিশ্বের যে কোন দলের ফরোয়ার্ডদের গোল করতে পেতে হবে বেগ। সেটা নিশ্চিত করেই বলা য়ায়। এদিকে দলটির মাঝে মাঠে ডেভিড সিলভা, ইসকো এবং তাদের সঙ্গে ইনিয়েস্তার ঝড় সামলানোটা কঠিনই হবে প্রতিপক্ষের জন্য। আর ফরোয়ার্ডে গোল এনে দেওয়ার দায়িত্বে থাকবেন সুসু, পের্দ্রো, আলভারা মরাতো, ডিয়েগো কস্তার মতো তারকারা।


স্পেন স্কোয়াড
গোলরক্ষক : ডেভিড ডি গিয়া, পিপি রেইনা, সার্জিও রিকো। ডিফেন্ডার : জেরার্ড পিকে, সার্জিও রামোস, জর্দি আলবা, মার্কো বার্তারা, ন্যাচো, দানি কার্ভাজাল, চেস্টার অ্যাজপিলিকুয়েটা, জাভি মার্তিনেজ। মিডফিল্ডার : সার্জিও বাসকুয়েটস, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, থিয়াগো আলক্যানতারা, ডেভিড সিলভা, মার্কো অ্যাসেনসিও, ইসকো, কোকে। ফরোয়ার্ড : সুসু, পের্দ্রো, আলভারা মরাতো, ডিয়েগো কস্তা।

ফ্রান্স
রাশিয়া বিশ্বকাপে অন্যতম ফেবারিট দলের তকমা নিয়ে মাঠে নামবে ফ্রান্স। দলের কোচ দিদিয়ের দেশঁর গর্ব করেই বলছেন,  আমার হাতে এমন একটা দল রয়েছে, যাদের ‌শক্তিশালী, লড়তে জানে এবং যাদের দুর্দান্ত প্রতিভা রয়েছে। ফুটবল বিশ্লেষকরার তার কথার সঙ্গে একমত, ১৯৯৮ সালের বিশ্বজয়ী দলের পর ফ্রান্সের হাতে এত প্রতিভাবান দল আর আসেনি। সেবার জিনেদিন জিদানের নাম মুখে মুখে উচ্চারিত হত। এবার তেমনই আঁতোয়া গ্রিজম্যান, কিলিয়ান এমবাপের নাম দুনিয়ার লোক জানে। জিদান নিজের সুনাম রাখতে পেরেছিলেন বিশ্বকাপ জিতে। গ্রিজম্যান, এমবাপেরা সেটা পারবেন কি না সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তাঁরা যে এবার অন্যতম ফেবারিট, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গত বিশ্বকাপটা খুব খারাপ কেটেছিল ফ্রান্সের। গ্রুপে শীর্ষে থেকে শেষ করে এবং প্রি–কোয়ার্টার ফাইনালে নাইজেরিয়াকে হারানো সত্ত্বেও কোয়ার্টার ফাইনালের গাঁট টপকাতে পারেনি তারা। পরাজিত হয় জার্মানির কাছে। প্রতিবারই ফেবারিটের তকমা নিয়ে বড় টুর্নামেন্টে খেলতে যায় ফ্রান্স। কিন্তু ১৯৯৮ বিশ্বকাপ এবং ২০০০ ইউরো বাদে প্রতিবারই ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। কোনওবারই নিজের প্রতিভার প্রতি সুনাম রাখতে পারেননি ফুটবলাররা। ২০০৬–এ দুর্দান্ত খেলেও ইতালিকে বিশ্বকাপ উপহার দিয়ে দেয় তারা। এবার ফ্রান্সের সাফল্য নিভর্র  করবে  দলের দুই সেরা তারকা নিঃসন্দেহে পল পগবা এবং অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যানের ওপর।এছাড়াও দলে আছে সেরা এবং মেধাবি তরুণ স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপে। সেই সঙ্গে মিডফিল্ডে এনগোলা কান্তের দারুণ পরিশ্রম এবং সেন্টার ব্যাকে রাফায়েল ভারানে ও স্যামুয়েল উমতিতি দলটির শক্তি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।

ফ্রান্স স্কোয়াড: এখনও দল ঘোষণা করা হয়নি।

আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে চরম হতাশার পর আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের টিকেট পাবে কি না, সেটা নিয়েই সৃষ্টি হয় অনিশ্চয়তা। ইকুয়েডরের সঙ্গে নাটকীয় জয়ে রাশিয়ার টিকেট নিশ্চিত হলেও অনেকেই আর্জেন্টিনার বর্তমান দলকে রাশিয়া বিশ্বকাপে ফেভারিট মানতে নারাজ। তবে যখন কোনো দলে একটি নাম ‘লিওনেল মেসি’ থাকে, সে দলটির সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স করুণ হলেও ফেভারিট লিস্ট থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব হয় না। খুব কষ্টে মূলপর্বে জায়গা করে নিতে হলেও কোচ সাম্পাওলির দল ‘মেসি-দিবালা-এগুয়েরো’ দের নিয়ে বড় আসরে এগিয়ে শিরোপা প্রত্যাশাই এগিয়ে – এ কথা বললেও বলা যায়। আর্জেন্টিনা দলে অনেক তারকা ফুটবলার আছেন, কিন্তু জাতীয় দলে তাঁরা নিজেদের সেরাটা দেখাতে ব্যর্থ হন। যার ফলে পুরো চাপটা এসে পড়ে মেসির কাঁধে। ইকুয়েডরের সঙ্গে ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিক না হলে রাশিয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টাইনদের দর্শক হয়েই হয়তো কাটিয়ে দিতে হতো। ১৯৭০ সালের পর এই প্রথম এতটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে তারা মূল পর্ব নিশ্চিত করে।গত তিন বছরে টানা তিনটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠে প্রতিবারই আর্জেন্টিনাকে ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। এবারের বিশ্বকাপটাই মেসির জন্য শেষ সুযোগ। মেসির পাশাপাশি আছেন সার্জিও আগুয়েরো, গঞ্জালো হিগুইন, পাওলো দিবালা ও মাউরো ইকার্দি যদি জ্বলে ওঠতে পারেন, তাহলে শিরোপার দৌড়ে আর্জেন্টিনা বহুদূরে এগিয়ে যাবে।


আর্জেন্টিনা স্কোয়াড (প্রাথমিক):
গোলরক্ষক: সার্জিও রোমেরো, নাহুয়েল গুজম্যান, উইলফার্ডো কাবাল্লেরো ও ফ্রাঙ্কো আরমানি। ডিফেন্ডার : গ্যাব্রিয়েল মার্কাদো, এডুয়ার্ডো সালভিয়ো, জাভিয়ার মাশ্চেরানো, ফেড্রিকো ফাজিও, মার্কোস রোহো, রামিরো ফুয়েনস মোরি, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, মার্কোস আকুনা, নিকোলাস ওটামেন্ডি, জার্মান পেজ্জেল্লা ও ক্রিস্টিয়ান আনসালদি।  মিডফিল্ডার: ম্যানুয়েল লানজিনি, রিকার্ডো সেঞ্চুরিওন, এনজো পেরেজ, এভার বানেগা, জিওভানি লো সেলসো, লিওনার্দো পারেদেস, রদ্রিগো বাট্টাগলিয়া, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, ক্রিস্টিয়ান পাভোন, ম্যাক্সিমিলিয়ানো মেজা, লুকাস বিগলিয়া, গুইদো পিজারো ও পাবলো পেরেজ। ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, গঞ্জালো হিগুইন, মাওরো ইকার্দি, দিয়েগো পেরোত্তি, পাওলো দিবালা, সার্জিও আগুয়েরো ও লাউটারটো মার্টিনেজ। 


দ্রষ্টব্য:  সত্যি বলতে কি ফুটবলে ‘ফেভারিট’ তকমা দিয়ে কোনো লাভ নেই। খেলার মাঠেই হয় আসল পরিচয়। বিশ্লেষকদের মতে টপ ফেভারিট ৫ দলের পাশাপাশি  ইংল্যান্ড, পর্তুগাল, বেলজিয়াম এবং , ক্রোয়েশিয়াও শিরোপা লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন