মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট ২০১৮ ০৯:৫৬:০৪ এএম

নিজস্ব ভবন পাচ্ছে তথ্য কমিশন

অর্থনীতি | মঙ্গলবার, ২২ মে ২০১৮ | ০৯:২৫:১৭ এএম

জনগণের তথ্য প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিতকরণের নিয়োজিত তথ্য কমিশনের জন্য আলাদা ভবন নির্মাণ করছে সরকার। এজন্য নেয়া হচ্ছে আলাদা প্রকল্প। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এই ভবন নির্মিণে ব্যয় হবে ৭৫ কোটি ০৫ লাখ টাকা। এর পুরোটাই জিওবি। এটি তথ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় তথ্য কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি চলতি বছর হতে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদকালে বাস্তবায়িত হবে।

আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন হতে পারে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সাধারণ জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করতে জুলাই ২০০৯ সালে তথ্য কমিশন গঠিত হয়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ধরনের গণযোগাযোগ মাধ্যমে জনগণকে শিক্ষা দেয়া, উদ্দীপিত করার কাজটি তথ্য কমিশন করে থাকে। তথ্য অধিকার আইন জনগণের ক্ষমতায়নের একটি উপায়। এই আইন ব্যবহারের মাধ্যমে যদি জনগণ প্রয়োজন অনুযায়ী সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য সম্পর্কে জানতে পারে তাহলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ হবে। তথ্য কমিশনে ৭৬ জন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ধরনের কর্মচারী রয়েছে। তথ্য কমিশনের ওয়েবসাইট এবং সার্ভার কক্ষ, ১টি লাইব্রেরি, আইটি কক্ষ রয়েছে।

তথ্য কমিশন প্রায় চব্বিশ হাজারেরও বেশি মনোনীত কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহ করেছে। ইতোমধ্যে আরটিআই অ্যাক্ট, ২০০৯ ওপর ১৭৩৭৮ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। মনোনীত প্রার্থীদের প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে। উল্লিখিত উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য তথ্য কমিশনের নিজস্ব ভবন প্রয়োজন। এ প্রেক্ষিতে আলোচ্য প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে।

তথ্য কমিশন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে- জনগণের তথ্য প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি ও বিদেশি অর্থ সহায়তায় পরিচালিত বেসরকারি ও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা ও সচ্ছতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দুর্নীতি হ্রাস ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তথ্য কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনা; আইসিটি বেজড সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে ওয়ান স্টপ ইনফরমেশন সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে কাজের উপযোগী পরিবেশ তৈরি; সরকারি বিভিন্ন সংস্থার নিকট হতে দেশের প্রতিটি জনগণের তথ্য প্রাপ্তির সুযোগ সৃষ্টি; এবং সুস্থ্য ও সুন্দর কর্ম পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের মাঝে সর্বোচ্চ সরকারি সেবা প্রদান করা হবে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন