শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮ ০২:০৮:৩২ এএম

‘কাজে গেলেই আমার স্ত্রী তার প্রেমিককে ঘরে ডাকে’

জেলার খবর | নীলফামারী | বুধবার, ২৩ মে ২০১৮ | ০৫:৫১:৪১ পিএম

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় পরকীয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় আয়েশা আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।

মঙ্গলবার বিকেলে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই গৃহবধূ। পরে পরিবারের লোকজন আয়েশাকে ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আয়েশা আক্তার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের ঠাকুরগঞ্জ গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ও বালাপাড়া ইউনিয়নের শোভানগঞ্জ বালাপাড়া গ্রামের মৃত ফয়েজ উদ্দিনের মেয়ে।

ডিমলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আয়েশা আক্তার বলেন, স্বামী-সন্তান থাকার পরও একই ইউনিয়নের মধ্যছাতনাই গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে ফয়েজ উদ্দিন আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। আমার স্বামী ও পরিবারের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে আমাকে ফয়েজ উদ্দিনের বাড়িতে ওঠতে বলে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এরপর ফয়েজকে বিয়ের কথা বলতেই পালিয়ে যায়। উপায় না পেয়ে আমি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছি।

আয়েশার মা আবেদা বেওয়া বলেন, এলাকার ফয়েজ উদ্দিনের জন্য আমার মেয়ের সংসারটা ভেঙে গেলো। আমার মেয়ে না পেরেছে সংসার করতে আর না পারছে ফয়েজকে বিয়ে করতে। এ কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।

আয়েশার স্বামী আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমি দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকের কাজ করতে যাই। কাজে গেলেই আমার স্ত্রী তার প্রেমিক ফয়েজকে বাড়িতে ডেকে এনে রাখে।

তিনি বলেন, আমি হাতেনাতে তাদের দুজনকে ধরেছি। আমি আয়েশাকে নিয়ে সংসার করতে চাই না। তার পরিবারকে ডেকে আয়েশাকে তাদের সঙ্গে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমার ৩ বছরের জান্নাতি নামে এক কন্যা সন্তান আছে। তাকে নিয়ে গেছে আয়েশা।

আয়েশার আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি জানতে চাইলে আনোয়ার হোসেন বলেন, গত ৩দিন ধরে আয়েশা তার বাবার বাড়িতে রয়েছে। এর বেশি কিছু আমি জানি না।

এদিকে, ফয়েজ উদ্দিন ঠাকুরগঞ্জ বাজারে ফলের দোকান করে। গত ৩ দিন থেকে তার ফলের দোকান বন্ধ। সেই সঙ্গে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ। বাড়িতে গিয়ে তাকে না পাওয়ায় তার মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী আয়েশার পরিবার।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন