শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ ০৮:৫৫:৪৫ পিএম

বেলজিয়ামেরও ‘মেসি’ আছে!

খেলাধুলা | শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮ | ০২:৫০:৪২ পিএম

আবির্ভাবেই এডেন হ্যাজার্ডের গায়ে লেগে গিয়েছিল বেলজিয়ামের মেসির তকমা। সময়টা ২০১১, হ্যাজার্ড তখন খেলছেন ফরাসি লিগের দল লিলে। আর্সেনাল এই তরুণের ব্যাপারে বেশ উৎসাহ দেখাচ্ছিল, কারণ অল্প বয়সেই হ্যাজার্ড জিতেছিলেন লিগ ওয়ানের সেরা তরুণ খেলোয়াড় ও বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। ২০১১ সালে তিনি বর্ষসেরা তরুণ ও বর্ষসেরা ফুটবলার, দুটি পুরস্কারই জেতেন। ২০১৮ সালে এসে হ্যাজার্ড মেসির পর্যায়ে যেতে না পারলেও অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছেছেন। আসছে দলবদলে তাঁকে নিয়ে বেশ কাড়াকাড়ি পড়বে। এরই মধ্যে আগ্রহ দেখাচ্ছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানসিটি ও রিয়াল মাদ্রিদ। লিল থেকে চেলসিতে এসে নিজেকে চিনিয়েছেন হ্যাজার্ড, রাশিয়া বিশ্বকাপে কি আরেকটু মেলে ধরতে পারবেন নিজের প্রতিভা?

চেলসিকে সদ্যই এফএ কাপ জেতানো হ্যাজার্ড খানিকটা অবসর চাইছেন বিশ্বকাপের আগে। চাইছেন কোনো সৈকতে গায়ে রোদ লাগাতে, ‘(বিশ্বকাপের আগে) আমরা এমন কোথাও যাব, যেখানে গায়ে খানিকটা রোদ লাগানো যায়। জানি না সেটা কোথায়, তবে পেয়ে যাব শিগগিরই। তারপর আমরা বিশ্বকাপের জন্য তৈরি হব। চাইলে তো লন্ডনে বসেও রোদ পোহানো যায়; কিন্তু সেটা কখনোই কোপা কাবানা সৈকতের মতো হবে না।’ বিশ্বকাপের আগে ফিটনেস কেমন থাকবে—এমন প্রশ্নে হ্যাজার্ডের উত্তর ছিল, ‘ফাইনাল যেন কবে? ১৫ জুলাই। আগে তো সেখানে পৌঁছাই! মৌসুমটা ভালো যায়নি, তবে এটাও ভালো যে শেষটা করতে পেরেছি শিরোপা দিয়ে। তবে এটা নিশ্চিত করতে হবে বিশ্বকাপের আগে যেন পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাই।’

ব্রাজিল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কাছে হেরেই বিশ্বকাপ স্বপ্নের সমাপ্তি ঘটেছিল বেলজিয়ামের। এবার বেলজিয়ামের গ্রুপ পর্বে বড় প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। শেষ ষোলোয় এইচ গ্রুপে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে পোল্যান্ড অথবা কলম্বিয়া। কোয়ার্টার ফাইনালে তারা মুখোমুখি হয়ে যেতে পারে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির। এ বাধাটা পার করতেই সবচেয়ে বেশি অবদান রাখতে হবে হ্যাজার্ডকে! বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ৬ গোল করেছেন হ্যাজার্ড, ক্লাবের হয়ে সব শেষ মৌসুমে ৫১ ম্যাচে ১৭ গোল। হ্যাজার্ডের সমস্যা হচ্ছে ধারাবাহিকতায়। একটা সময় চেলসিতে খেলা উরুগুইয়ান মিডফিল্ডার গাস পোয়েত হ্যাজার্ড সম্পর্কে বলেছেন, ‘মেসিকে নিয়ে বাজি ধরাটা নিরাপদ, কারণ সে সব সময় পারফরম করে। হ্যাজার্ডের বেলায় সব সময় তেমনটা হয় না।’ এসব সমালোচনাকে মিথ্যা প্রমাণ করাটাই হ্যাজার্ডের বড় চ্যালেঞ্জ।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন