শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ ১১:৪৫:২৪ পিএম

ঘুষ নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের ছেড়ে দেয়ায় এএসআই প্রত্যাহার

জেলার খবর | ফরিদপুর | বুধবার, ৩০ মে ২০১৮ | ০৭:৪৭:১২ পিএম

ঘুষ নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের ছেড়ে দেয়ার অভিযোগে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থানার এএসআই জুয়েল হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এএসআই জুয়েলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে ফরিদপুর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা এএসআই জুয়েলের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে এলাকার বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের গ্রেফতার করে থানা হাজতে রেখে মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়াসহ নানা অপরাধে এএসআই জুয়েল হোসেনকে চরভদ্রাসন থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গত সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলা সদর ইউনিয়নের মধু ফকিরের ডাঙ্গী গ্রামের একটি নির্জন স্থান থেকে মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ী উপজেলার মৌলভীরচর গ্রামের আল-আমিন (৩০), জুয়েল আহাম্মেদ (৩২) ও পার্শ্ববতী সদরপুর উপজেলার সুজন পালকে (২৮) আটক করেন এএসআই জুয়েল হোসেন। পরে আল-আমিন ও জুয়েল আহাম্মেদের স্বজনদের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে ওই রাতেই থানা হাজত থেকে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

এদিকে আটক সুজন পাল দরিদ্র হওয়ায় তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে উৎকোচ দিতে না পারায় পর দিন ২০ পিস ইয়াবাসহ আটক দেখিয়ে সুজন পালকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়। পরে বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবগত হলে মঙ্গলবার রাতে এএসআই জুয়েল হোসেনকে চরভদ্রাসন থানা থেকে প্রত্যাহার করে ফরিদপুর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

অভিযুক্ত এএসআই জুয়েল হোসেন জানান, সোমবার রাতে মাদকসহ তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে থানায় আনার পর সেকেন্ড অফিসার এসআই স্বপন কুমারের হাতে তাদের সোপর্দ করি। স্বপন স্যার আটকদের কী করেছেন আমি বলতে পারব না।

চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাম প্রসাদ ভক্ত বলেন, এএসআই জুয়েল হোসেনকে জনস্বার্থে ফরিদপুর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন