শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ ০৪:৪৩:৪৪ এএম

বাদল-সোহাগ ইস্যুতে তদন্ত কমিটি গঠন বাফুফের

খেলাধুলা | শনিবার, ২ জুন ২০১৮ | ০৯:৪২:২৪ পিএম

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের শনিবারের নির্বাহী কমিটির নিয়মিত সভাটি ছিল পূর্ব নির্ধারিত। তবে সভার তিনদিন আগে বাফুফে জড়ায় অনাকাঙ্খিত এক বিতর্কে। বাফুফের সহসভাপতি বাদল রায়কে হুমকি দিয়ে ফেডারেশনে আসতে নিষেধ করেছেন সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ- এমন অভিযোগ করে বাদল রায়ের স্ত্রী মাধুরী রায়ের থানায় করা সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর বাদল রায় সংবাদ সম্মেলন করে নিজের সংস্থার বিরুদ্ধেই দূর্নীতির অভিযোগ তোলার বিষয়টি যে বাফুফের এ সভায় উঠবে সেটাই স্বাভাবিক। সভার এজেন্ডাভুক্ত আলোচনা ছড়িয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেদের আভ্যন্তরীণ কোন্দলের বিষয়টি জোরেসোরে আলোচনা হয়েছে সভায়।

কেবল আলোচনায় সীমাবদ্ধ থাকেনি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কিত বিষয়টি। একজনের হুমকি, আরেকজনের থানায় জিডি। তার চেয়েও সভায় বড় করে আলোচনায় এসেছে বাফুফেকে দূর্নীতির আখড়া বলে বাদল রায়ের মন্তব্যের ইস্যুটি। বাফুফের অনেক শীর্ষ কর্মকর্তাই এ বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাফুফে।

৫ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান বাফুফের সিনিয়র সহসভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী। কমিটিতে আছেন সহসভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, কাজী নাবিল আহমদে, সদস্য হারুনুর রশিদ ও আবদুর রহিম। যত দ্রুত সম্ভব এ কমিটি বিষয়টি খতিয়ে দেখে একটি প্রতিবেদন দেবে নির্বাহি কমিটিকে।

গত ২৬ মে বাদল রায়ের স্ত্রী মাধুরী রায় বাদী হয়ে ওয়ারি থানায় তার স্বামীর নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছেন। যেখানে অভিযুক্ত করা হয়েছে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগকে। মাধুরী রায়ের স্ত্রীর অভিযোগ-সোহাগ টেলিফোনে তাকে হুমকির স্বরে বলেছেন বাদল রায় যেন ফেডারেশনে না আসেন এবং আসলেও যেন শুধু চা-পানি খেয়ে চলে যান।

এর পর গত বৃহস্পতিবার বাদল রায় মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বাফুফের বিরুদ্ধে একগাদা অভিযোগ তোলেন। এ সময় তিনি বাফুফে দুর্নীতির আখড়া হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন