বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮ ০১:১২:৫৩ এএম

এশিয়ায় বোয়িং’এর আড়াই ট্রিলিয়ন ডলার বাজার, বিমানের চাহিদা ১৬০৫০

আন্তর্জাতিক | মঙ্গলবার, ৫ জুন ২০১৮ | ০৩:৪৬:৫২ পিএম

চীনের এয়ারক্রাফট লিজিং গ্রুপ এয়ারবাস ও বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে অন্তত ২’শ সুপরিসর বিমান কেনার জন্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। চীন সহ এশিয়ায় পর্যটন খাতের প্রবৃদ্ধিতে বিমানের চাহিদা এতই বৃদ্ধি পেয়েছে যে বোয়িং একাই ২০৩৬ সাল পর্যন্ত এ অঞ্চলে ১৬ হাজার ৫০ বিমান বিক্রির পরিকল্পনা নিয়েছে যাতে আয় হবে আড়াই ট্রিলিয়ন ডলার। ব্লুমবার্গ

সিডনিতে এক সাক্ষাতকারে এয়ারক্রাফট লিজিং গ্রুপের সিইও মাইক পুন বলেন, বোয়িং ৭৩৭ ও এয়ারবাস এ৩২০ ধরনের বিমান তারা ক্রয় করতে চাচ্ছেন দূরপাল্লার যাত্রীদের পরিবহনের জন্যে। ২০২২ সালের মধ্যে চীন একাই বিশ্বের সর্ববৃহৎ এয়ারলাইন্স পরিচালনা করবে এবং এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারলাইন্সগুলোকে ছাড়িয়ে যাবে। এমনকি সুপরিসর বিমান তৈরির কথাও সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে তার প্রতিষ্ঠান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের উদ্বৃত্ত বাণিজ্যের ২০০ বিলিয়ন ডলারের ওপর কাটছাঁট আরোপ করেছেন তা মোকাবেলায় এয়ারলাইন্স ব্যবসাকে অন্যতম একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করছে দেশটি। গত ডিসেম্বরে চীনের এ কোম্পানি ৫০টি এয়ারবাস ৫.৪২ বিলিয়ন ডলারে কিনতে একটি চুক্তি করে। ২০১৬ সালে একই প্রতিষ্ঠান চীনের কমার্শিয়াল এয়ারক্রাফট করপোরেশনের জন্যে ২.৩ বিলিয়ন ডলারে ৬০টি এআরজে২১ বিমান কেনার চুক্তি করে। ২০১৪ সালে এয়ারবাসের সঙ্গে ১০.২ বিলিয়ন ডলারে ১’শটি বিমান ক্রয়ের চুক্তি করে একই প্রতিষ্ঠান।

গত ২৮ মে পর্যন্ত এয়ারক্রাফট লিজিং গ্রুপ ১১৪টি বিমান বুঝে পেয়েছে। তৈরির আদেশ দেয়া হয়েছে ১৪০টি এয়ারবাস ও ৫০টি বোয়িং বিমানের। এর পাশাপাশি ২০টি সি৯১৯ বিমান চীনেই তৈরি হয়েছে। চীনে বিমানের এত ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হওয়ায় বোয়িং ও এয়ারবাস সহজেই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিমান তৈরির আদেশ পাচ্ছে। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ২০৩৬ সাল নাগাদ সাড়ে তিন বিলিয়ন বিমান যাত্রী ভ্রমণ করবে যা হবে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের মোট যাত্রীর অতিরিক্ত এবং ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশন সে আভাসই দিয়েছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন