শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮ ১০:৪৪:৪৯ পিএম

বাজেটের পরই দেশব্যাপী অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্ট

খেলাধুলা | মঙ্গলবার, ৫ জুন ২০১৮ | ১১:২২:০৫ পিএম

ফুটবল এখনও সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় খেলা বলে বিশ্বাস করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার। ঢাকায় হয়তো আগের মতো ফুটবলের সেই ক্রেজ নেই। কিন্তু ঢাকার বাইরে গেলেই টের পাওয়া যায় ফুটবল কতটা জনপ্রিয়।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফুটবল এখন যে জায়গায় এসেছে, সে জায়গায় তো থকার কথা নয়। সমৃদ্ধ দর্শক কিন্তু একটি দেশের সম্পদ। আমাদের দেশে ফুটবল খুবই জনপ্রিয়। গ্রামাঞ্চলে যে দর্শক দেখি, সেটা ভাবা যায় না। কে বলে ফুটবল জনপ্রিয় নয়? ফুটবল খুবই জনপ্রিয়।’

বিশ্বকাপ উপলক্ষে জাগোনিউজ২৪.কমের বিশেষ আয়োজন ‘বিশ্বকাপের মাতাল হাওয়া’ উদ্বোধন করতে এসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার।

এ সময় তিনি জানান, আগামী বাজেটের পরই দেশব্যাপী ফুটবলের প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে একটি বড় আকারের টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। যেখানে খেলবে অনূর্ধ্ব-১২ থেকে ১৭ বয়সী স্কুলপড়ুয়ারা। শুধু স্কুলপড়ুয়া নয়, তবে দারুণ ফুটবল প্রতিভা রয়েছে- এমন খেলোয়াড়দেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে এই টুর্নামেন্টে।

বালক এবং বালিকা- উভয় ক্ষেত্রেই এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে যার নাম দেয়া হবে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট। ড. বীরেন শিকদার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা ফুটবল প্রাইমারি লেভেলে চালু হওয়ার পরই কিন্তু মেয়েরা ফুটবলে ভালো করছে। আমরা অনূর্ধ্ব-১৭ বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফুটবল নামে আরেকটি টুর্নামেন্ট চালু করব। আগামী বাজেটের পরই সেটা হবে। এক লাখ ২২ হাজার ফুটবলার এতে অংশ নেবে। সেখান থেকে চূড়ান্ত পর্ব শেষে ২৬৬ জনকে জাতীয় পর্যায়ে আনা হবে। তাদের বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণে রাখার ব্যবস্থা করব। মোট কথা, আমরা অনূর্ধ্ব-১৭ থেকে খেলোয়াড় জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনতে চাই।’

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতিটি উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের কাজ অনেক দূর এগিয়ে। খেলাধুলার প্রসারে এই মিনি স্টেডিয়ামগুলো অনেক কাজে আসবে। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন ৪৯০ উপজেলায় একটি করে স্টেডিয়াম করে দিতে। ইতোমধ্যে স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গেছে। ৪৯০টা না হোক। ১৩১টার কাজ ইতোমধ্যে শেষ। আরও ১৫২টা আগামী নির্বাচনের আগেই করে দেব। প্রতি উপজেলায় একটি করে ক্রীড়াসংস্থা করছি। যার প্রধান থাকবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।’

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনে করেন, যদি যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করা যেতো, তাহলে মাদকবিরোধী অভিযানের প্রয়োজন পড়তো না। যুবসমাজের বিপথগামিতা রুখতে পারলে হলি আর্টিজেনের মতো ঘটনাও ঘটতো না। তিনি বলেন, ‘যুবশ্রেণির জন্য তিনটি উদ্দেশ্যে ক্রীড়াকে ব্যবহার করা যেতে পা। ১. শরীর গঠনের জন্য। ২. বিপথগামী হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এবং ৩. ক্রীড়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্মান অর্জনের জন্য। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।’

বিশ্বকাপ নিয়ে জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন ‘বিশ্বকাপের মাতাল হাওয়া’ সম্পর্কে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেণ শিকদার বলেন, ‘জাগো নিউজ২৪.কম বিশ্বকাপের মাতাল হাওয়া নামে একটি বিশেষ ওয়েবপোর্টাল করেছে, তাদের এমন উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ জানাই। ওয়েবপোর্টাল তৈরি সহজ কাজ নয়। বিষয়টি বেশ ব্যতিক্রমধর্মী। এজন্যই আমি আগ্রহ নিয়ে বলার সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়েছি। আমার ধারণা হয়েছে, এটা খুবই কষ্টকর একটি কাজ। এটা বলতে গেলে একটা আর্কাইভের মতোই কাজ করবে মনে হয়। যুবসমাজ যেভাবে সামাজিকে যোগাযোগমাধ্যমের দিকে ঝুঁকে পড়েছে, তাদের কাছে এটা বেশ জনপ্রিয়তা পাবে।’

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন