মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ ০৯:০৭:৪৩ পিএম

ভৈরবে পুলিশি বাধায় বিএনপির ইফতার অনুষ্ঠান পণ্ড

জেলার খবর | কিশোরগঞ্জ | শুক্রবার, ৮ জুন ২০১৮ | ০৬:১৩:৩৯ পিএম

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিএনপির ইফতার অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। পৌর বিএনপির উদ্যোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বিএনপির বাসস্ট্যান্ড কার্যালয়ে এ ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ইফতার অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলম উপস্থিত থাকার কথা ছিল।

ভৈরব পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান জানান, আজকের ইফতার অনুষ্ঠান না করতে ভৈরব থানা পুলিশ গতকাল রাতেই নিষেধ করেছে। পুলিশ মোবাইলে বিএনপি নেতাদেরকে ইফতার অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলেছে। শুধু তাই নয় বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র হাজী শাহীন, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমানসহ একাধিক নেতাকর্মীর বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানের সময় নেতাদেরকে না পেয়ে পুলিশ ফোনে জানিয়েছে আজ ইফতার অনুষ্ঠান করা যাবে না।

পুলিশ জানায়, পৌর এলাকার ৪ নাম্বার ওয়ার্ডে আজ পৌর আওয়ামী লীগের ইফতার অনুষ্ঠান হবে। এই তারিখটি আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছিল। বিএনপির অফিসটিও একই এলাকায় তাই দুই দলের ইফতার আয়োজনে এখানে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের আশঙ্কায় বিএনপির ইফতার অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শরীফুল আলম ইফতার অনুষ্ঠানে আসার খবরে দুই দলের মধ্য উত্তেজনার সৃষ্টি হওয়ায় পুলিশ এ ব্যবস্থা নিয়েছে।

পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম বাকি বিল্লাহ জানান, আওয়ামী লীগের ইফতারের তারিখটি জেনেও বিএনপি একই এলাকায় ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ইতিপূর্বে তারা উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নে ইফতার অনুষ্ঠানের নামে অপরাজনীতি করে সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গালাগালি করে এবং সরকারের মাদক ও জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সমালোচনা করে তারা।

তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি ইফতারের নামে সাংগঠনিক কার্যক্রম করে দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শরীফুল আলম বলেন, পুলিশ আমাদের ধর্মীয় কাজ ইফতারেও বাধা সৃষ্টি করে ধর্ম পালন করতে দিচ্ছে না। বৃহস্পতিবার শহরের একাধিক বিএনপি নেতাকর্মীর বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হয়রানি করেছে।

ভৈরব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, একই এলাকায় দুই দলের ইফতার আয়োজনে নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার খবরে পুলিশ বিএনপির ইফতার অনুষ্ঠানটি বন্ধ করেছে। ইফতার অনুষ্ঠান নিয়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হবে- এমন কাজ পুলিশকে বন্ধ করতেই হবে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন