শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮ ০৯:৩২:০১ এএম

ইএসপিএনের দৃষ্টিতে যে ৫ কারণে বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল

খেলাধুলা | মঙ্গলবার, ১২ জুন ২০১৮ | ১১:৫২:১৫ পিএম

ব্রাজিলের সর্বশেষ প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া বিশ্বকাপ খেলছে না ১৯৯৮ সাল থেকে। তার আগের প্রতিপক্ষ ছিল ক্রোয়েশিয়া। বিশ্বকাপে তারা হয়তো এত বেশি ফেবারিট নয়। তবুও আপনি অস্ট্রিয়া এবং ক্রোয়েশিয়াকে কোনোভাবেই খাটো করে দেখতে পারেন না। ইউরোপিয়ান দেশ বলে, শক্তির ফারাক খুবই কম।

এমন দুটি দলের বিপক্ষে নিজেদের প্রস্তুতিটা ফরখ করে নেয়ার সুযোগ পেয়েছিল ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নেইমাররা সত্যিই কতটা প্রস্তুত, তা এই দুটি ম্যাচ দেখেই বোঝা গেছে। তিতের অধীনে বিশ্বকাপ জয়ের জন্য যে নিজেদের সত্যিকারার্থেই ফেবারিট হিসেবে গড়ে তুলেছে নেইমার বাহিনী, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট। বিশ্লেষকদের প্রায় সবার বিশ্লেষণেই প্রথম যে তিনটি নাম উঠে আসছে, তার মধ্যে অন্যতম ব্রাজিল। বাকি দুটি জার্মানি এবং স্পেন। পরের দুটি স্থানে রাখা হচ্ছে ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনাকে। ফেবারিটের তালিকায় উঠে আসতে পারে বেলজিয়াম, পর্তুগাল কিংবা ইংল্যান্ডের মত অন্য কেউ। তবে রাশিয়া বিশ্বকাপ শুরুর দুদিন আগেও আলোচনার টেবিলে সবার আগে উঠে আসছে ব্রাজিল, জার্মানি আর স্পেনের নাম।

ইএসপিএন বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছে, ব্রাজিল কেন বিশ্বকাপের টপ ফেবারিট। বিশ্বকাপের আগে যে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে সেলেসাওরা, তাকে গোল করেছে ৫টি। তবে গোলের চেয়েও যে খেলা তারা দেখিয়েছে, তাতে বোঝাই যাচ্ছে শীর্ষে থেকেই রাশিয়ায় পা রেখেছে তারা। ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য সবচেয়ে বড় সুখবর হচ্ছে, তাদের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার তিন মাস ইনজুরিতে কাটিয়ে ফেরার পরই ফিরে পেয়েছেন দারুণ ছন্দ।

ইএসপিএনের দৃষ্টিতে যে ৫টি কারণে বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল, সেগুলো তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য…

১. ‘হালকা’ মিডফিল্ডই সবচেয়ে ভালো
ভিয়েনায় ব্রাজিল শুরু করেছিল দারুণ মিডফিল্ড ফরমেশন নিয়ে। বিশেষ করে তিতে ব্রাজিলের দায়িত্ব নেয়ার পর এই প্রথম এ ধরনের একটি ফরমেশন তৈরি করেন তিনি। যে কম্বিনেশনটা তিনি ধরে রেখেছিলেন ৬০ মিনিট পর্যন্ত। ফিলিপ কৌতিনহো, পওলিনহো এবং ক্যাসেমিরোকে দিয়ে এই ফরমেশনটা সাজান তিতে। এর আগের তার নিজের ২১ ম্যাচে এই জায়গায়টায় তিনি হয়তো রেনাতো অগাস্তো কিংবা ফার্নান্দিনহোকে দিয়ে ফরমেশন সাজাতেন। কিন্তু অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এখানে পরিবর্তন এনে দারুণ নির্ভরতা পেয়ে গেলেন।

ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষেও কৌশল পরিবর্তন করতে দেখা গেছে তিতেকে। লুকা মদ্রিচ অ্যান্ড কোংয়ের কাছ থেকে যে চাপের মুখে পড়েছিলো ব্রাজিল, তাতে তিতের কৌশলই বের করে নিয়ে এসেছে সেলেসাওদের। অস্ট্রিয়াও মিডফিল্ডে একই ধরনের চাপ তৈরি করেছিল শুরুতে। কিন্তু মিডফিল্ডে কৌতিনহোর উপস্থিতি পুরো ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেয় এবং পুরো খেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ব্রাজিল।

১৭ জুন, সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে নামবে ব্রাজিল। ওই ম্যাচেও একই আক্রমণাত্মক কম্বিনেশন নিয়ে মাঠে নামবে ব্রাজিল। প্রয়োজনে কৌশলও পরিবর্তন করতে দেখা যাবে তিতেকে। ‘ই’ গ্রুপে বাকি দুই দল কোস্টারিকা এবং সার্বিয়ার বিপক্ষেও এই কৌশলে হয়তো খেলতে দেখা যাবে ব্রাজিলকে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন