রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ ০২:৪১:০০ পিএম

প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে দক্ষিণ আইচার মাদক ব্যাবসায়ীরা: গ্রেফতার করছেনা পুলিশ

ভোলা সংবাদদাতা | জেলার খবর | ভোলা | শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ | ০৪:৫২:১৭ পিএম

ভোলা জেলা পুলিশের তালিকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে নাম থাকা সত্যেও চরফ্যাশন দক্ষিণ আইচার দুই মাদকের গডফাদার এখনো গ্রেফতার হয়নি। তারা প্রশাসনের অভিযান থাকা সত্বেও এখনো ওপেন মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রশাসনের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে লিপ্ত নানা অনৈতিক কর্মকান্ডে। রাতের অন্ধকারেই দক্ষিণ আইচা থানার সামনে বাজারে একটি দোকান ঘরে মাদকের আড্ডা নিয়ে বসে। স্থানীয়রা বার বার অভিযোগ করা সত্যেও এদের গ্রেফতার করছেনা প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদকের মূল হোতা চরমানিকা ইউপি সদস্য বিল্লাল হাওলাদার ও বাদল মীর মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

সরকারের চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে অনেক গডফাদার নিহত হয়েছে। অনেকে পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। কিন্তু এই দুই মাদকের ডন “বাদল বীর ও বেল্লাল” গ্রেফতার না হওয়ায় জন মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

এ দুই মাদক ব্যবসায়ী ক্ষমতাশীন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে নানা অপকর্ম। দক্ষিন আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাদল মীর ও ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য বেল্লাল হাওলাদার মাদক বিক্রেতা এবং মাদকসেবী হিসেবেই সকলের কাছে পরিচিতি।

বেল্লাল এর আগে বিএনপির থানা যুবদলের নেতা ছিলেন বর্তমানে নিজেকে আওয়ামীলীগ নেতা বলে পরিচয় দিচ্ছে।

দক্ষিন আইচা থানায় মাদকের তালিকায় ২০১৫ /১৮ সালে যাদের নাম রয়েছে, চরমানিকা ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বেল্লাল হাওলাদার, চরমানিকা ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাদল মীর, চরমানিকা ৮নং ওয়ার্ডের রেজাউল, চরমানিকা ৫নং ওয়ার্ডের ইসমাইল, চরফ্যাসনের নুরু/গুজা নুরু, চরমানিকা ৫নং ওয়ার্ডের বাদশা, চরমানিকা ৫নং ওয়ার্ডের ছিডু, চরমানিকা ৭নং ওয়ার্ডের ইনায়েত গাজি, চরমানিকা ২নং ওয়ার্ডের ভুট্টু , চরমানিকা ৬নং ওয়ার্ডের মনির, ৭নংওয়ার্ডের রিপন গাজি, চরমানিকা ৫নং ওয়ার্ডের হাবু দালাল চরমানিকা ৭নং ওয়ার্ডের ফয়সাল।

এদের মধ্যে অনেকেই মাদক মামলায় জেল হাজতে আছেন। এবং সবার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এই দুই মাদক ব্যবসায়ীর সহোদর এনায়েত রেজাউল ইসমাইল ও হাবুু দালাল কিছুদিন আগে ইয়াবা ও গাঁজাসহ গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে রয়েছে। কিন্তু গ্রেফতার হয়নি মুল এই দুই মাদকের ডন। এদিকে, এই দুই মাদক ব্যাবসায়ীদের নিয়ে সংবাদ প্রচার করায় স্থানীয় সাংবাদিক তুহিনের উপর রাতের অন্ধকারে হামলা চালিয়ে ক্যামেরা টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় জানা যায়। সাংবাদিক তুহিন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে দক্ষিন আইচা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন যাহার মামলা নং ৮/১৮।

এ বিষয়ে দক্ষিণ আইচা থানার ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, ওরা মাদকসেবি তবে ব্যবসায়ী না।

এ বিষয়ে বরিশাল রেঞ্জ (ডিআইজি) ও ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মোকতার হোসেনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন এলাকাবাসী।

অপরদিকে, দক্ষিন আইচা থানার ওসি হাবিবুর রহমানকে অপসারণের জোড় দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন