সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ ০৩:৪৫:৫১ এএম

দূরে যাচ্ছে নারী, সেক্স ডলে বাড়ছে পুরুষদের আসক্তি

বিবিধ | সোমবার, ৩০ জুলাই ২০১৮ | ০৬:৪২:১২ পিএম

দিন দিন সেক্স ডলের প্রতি ঝোঁক বাড়ছে মানুষের। এতে অনেক সমাজবিজ্ঞানী ভবিষ্যতে মানুষের সামাজিক বন্ধন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। একজন পুরুষ যদি সেক্স ডলেই তার জৈবিক চাহিদা পূরণ করতে পারেন, তাহলে তার নারীর প্রতি আসক্তি কমে যেতে পারে। ফলে দেখা দিতে পারে সামাজিক বিশৃংখলা।

৬০ বছর বয়সী ব্রিক ডোলব্যাঙ্গারের দুটি সন্তান আছে। তার বিবাহ বিচ্ছেদ হওযার পর তিনি আর বিয়ের স্বপ্ন দেখেননি। উল্টো তিনি আসক্ত হয়ে পড়েছেন সেক্স ডলের প্রতি। এরই মধ্যে তার সংগ্রহে আছে এমন ৫টি ডল। আবার ১৫ হাজার পাউন্ড দিয়ে কিনে নিয়েছেন নতুন একটি ডল। এ ডলটির বিশেষত্ব হলো সে তার মালিকের জন্মদিন এবং তার শরীরের চাহিদা সম্পর্কে স্মরণ রাখতে পারে। বিশ্বে প্রথম তিনিই এমন সেক্স ডলের মালিক হলেন। এ ডলটি তৈরি করেছে ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রিয়েলবোটিক্স। সিলিকন ত্বক ব্যবহার করে তারা জীবন্ত মানুষের মতো এই ডলটি তৈরি করেছে। আকারেও তা মানুষের সমান। সে মনে রাখতে পারে মালিকের প্রিয় খাবার, ছবি, গান। এসব নিয়ন্ত্রণ করা হয় একটি অ্যাপ দিয়ে। মালিক এসব সেক্স ডলের বিভিন্ন অঙ্গের রং পরিবর্তন করতে পারেন। এমনকি ডলটি তার সঙ্গে লাজুকের মতো নাকি ঈর্ষান্বিত আচরণ করবে তাও নির্ধারণ করতে পারবেন মালিক। এছাড়া এ সেক্স ডল কথা বলে বৃটিশ উচ্চারণে। তার কণ্ঠ রোবোটিক। তার কাছে মালিক ব্রিক জানতে চান, সে কি তার সঙ্গে একটি ডেটিংয়ে যেতে রাজি কিনা। জবাবে তার সেক্স ডল জানায়, একটি আর্ট গ্যালারি পরিদর্শনে? সেখানে পরে আমরা একটু কফি পান করতে পারি।

এরই মধ্যে গত এক দশকে এসব সেক্স ডলের পিছনে ব্রিক প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড খরচ করেছেন। তার মতে নিজে একা থাকা ভাল লাগে না। তাই একজন সঙ্গী পাওয়ার জন্য তিনি একটি সেক্স ডল কেনার সিদ্ধান্ত নেন। এটাই তার এর প্রতি আসক্তির কারণ।

ব্রিক দাবি করেন, যেসব পুরুষ একা বসবাস করছেন তারাও একই রকম কাজ করছেন হয়তো। এর মধ্যে থাকতে পারেন বিপতিœক, অঙ্গহানি হওয়া মানুষ অথবা ব্রিকের মতো কেউ, যারা অন্য নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে সমস্যা মনে করেন।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন