বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১০:৩০:৫৮ পিএম

বরিশালে বিএনপিসহ ৬ মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

রাজনীতি | মঙ্গলবার, ৩১ জুলাই ২০১৮ | ০৩:০৮:১৫ পিএম

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে ছয় মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে। সাতজন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে নির্বাচিত শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়নি।

রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নিয়ে ছয়জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মেয়র পদে ভোট দিয়েছেন ১লাখ ৩৩ হাজার ৩০০ জন ভোটার। যার শতকরা হার ৫৫ শতাংশ।

নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী, নির্বাচনে যেসব প্রার্থী মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাবেন না তাদেরই জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হবে। সে হিসেবে আট ভাগের এক ভাগের সমান ভোটের সংখ্যা হয় ১৬ হাজার ৬৬২ দশমিক ৫ ভোট। নির্বাচনে জামানতের টাকা তারাই ফেরত পাবেন যেসব প্রার্থী ১৬ হাজার ৬৬২ দশমিক ৫ এর বেশি ভোট পেয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান বলেন, বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১২৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৭টি কেন্দ্রের বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৩৫৩ ভোট। অপরদিকে বিএনপি প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৩৫ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৬৯৬ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ওবায়দুল ইসলাম (হাতপাখা) পেয়েছেন ৬ হাজার ৪২৩ ভোট, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রীক দলের (বাসদ) প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী (মই) পেয়েছেন ১ হাজার ৯১৭ ভোট, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ (কাস্তে) পেয়েছেন ২৪৪ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী বশীর আহমেদ ঝুনু (হরিণ) ৮১ ভোট।

তিনি আরও বলেন, দেখা গেছে জামানত ফেরত পাওয়ার মতো কাঙ্ক্ষিত ভোটের সংখ্যা ওই ৬ প্রার্থীর কারোরেই নেই। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান মঙ্গলবার সকালে বলেন, জামানত বাজেয়াপ্তের বিষয়টি এখনও হিসাব করে দেখা হয়নি। তবে জামানতের টাকা স্বাভাবিক নিয়মেই বাজেয়াপ্ত হবে।

এদিকে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৫টি কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। আর রিটানিং কর্মকর্তা একটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছিলেন। বাতিল কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৩১ হাজার ২৮৭ জন।

অবশ্য অন্য প্রার্থীরা নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুপুরের দিকে সব কেন্দ্রে ভোট স্থগিতের আবেদন ও কেউ কেউ ভোট বর্জন করেন।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন