বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৪১:২১ পিএম

হাসিনার অধীনে আগামী নির্বাচন নয় (ভিডিওসহ)

ডেটঃ ১৮-০২-২০১৭

শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে গেলে ২০১৪ সালেই নির্বাচনে যেতাম, তাহলে আবার পাঁচ বছর পরে যাব কেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। শনিবার জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিতে এসে তিনি একথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে করে নির্বাচনকালী সরকারের প্রস্তাব করবে বিএনপির সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা দলীয় ভাবে বসিনাই। দলের মধ্যে নানা রঙ্গের লোক আছে, নানা মোতের লোক আছে। বিষয়টা আমরা জানি না। পত্রিকার ভাষায় যেটা আসছে দেটা দেখে আমরা দলীয় ভাবে সিদ্ধান্ত নিব। কারণ সুটকির নৌকায় বিড়াল বাহারাদার রাখলে কি হবে? এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শেখ হাসিনার অধীনে যদি নির্বাচনেই যাব তবে ২০১৪ সালে নির্বাচনে যেতে পারতাম। তাহলে আবার পাঁচ বছর পরে যাব কেন?

নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে তিনি বলেন, আগের হাল যেদিকে যায় পিছনের হাল তো সে দিকেই যায়। আমরা নতুন করে এই নির্বাচন কমিশনারের কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না। কারণ রকিব উদ্দিনের মতই তারা কাজ করবে।

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন ঠেকানোর ক্ষমতা বিএনপির নেই, এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যায়নি। আর আগামী নির্বাচনেও ভোটাররা যাবে না। এধরনের নির্বাচন করে যদি তারা টিকে থাকতে চায়, তবে চেষ্ঠা করুক।
সংবিধানের আলোকে পর পর দুই বার নির্বাচনে অংশ না নিলে বিএনপির নিবন্ধন থাকবে না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংবিধানের আলোকে পর পর দুই বার নির্বাচনে না গেলে নিবন্ধন বাতিল হয়। কিন্তু আপনারা কি জানেন, সংসদীয় যে প্রতীক গুলো ছিল, সেগুলো শুধু সংসদ নির্বাচনের জন্য। কিন্তু আজকে নৌকা আর ধানের শীষ স্থানীয় নির্বাচনেও বরাদ্দ হচ্ছে। আজকেও ধানের শীষে আমাদের এক প্রার্থী নির্বাচন করছে। যখন এটি স্থানীয় পযায়ে ব্যবহার হয় তখন জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্ত টিকে না।



শুক্রবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকার খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলার রায় তারা দিচ্ছেন না আদালত দিবেন, এমন বক্ত্যেব সমালোচনা করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আদালত তো মামলা দেয়নি, মামলা দিয়েছে সরকার। সরকার যখন মামলা দিয়েছে তখন সেই মামলা দেয়ার তো তাদের একটা উদ্দেশ্য আছে। আর আপনারা জানেন যে আদালতে দলমত দেখা হয়, আমরা আদালতে হাজিরা না দিলে জামিন না দিয়ে জেলে পাঠানো হয় আর সরকারের দুই জন মন্ত্রী মামলা নিয়েও ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাই ওবায়দুল কাদেরের কথা এখানে ধোপে টিকে না। এটি রাজনৈতিক মামলা আর আমরাও রাজনৈতিক ভাবেই মোকাবেলা করবো।আগামী নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে থামানোর জন্য সরকার বহু চেষ্ঠাই করবে। আর গণতন্ত্রে সকল অপচেষ্টাকে প্রতিহত করার দায়িত্ব জনগণের।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালম আজাদসহ তাঁতী দলের নেতাকর্মীরা।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন

শেয়ার